ভোট প্রচারের ভাষণ ঘিরে বড় বিতর্ক! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভোট প্রচারের ভাষণ ঘিরে বড় বিতর্ক! অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ (West Bengal Assembly Election 2026) ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহের মধ্যেই ফের বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। নির্বাচনী প্রচারে দেওয়া একাধিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে বাগুইআটি থানায় (Baguiati Police Station) দায়ের হল এফআইআর (FIR)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার ক্রাইম (Cyber Crime) সহ মোট পাঁচটি ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। এর মএর মধ্যে তিনটি ভারতীয় সংহিতা আইনের ধারা রয়েছে। বিএনএস ১৯২, বিএনএস ১৯৬(জামিন অযোগ্য), বিএনএস ৩৫১/২(জামিন অযোগ্য) ধারা রয়েছে। এছাড়াও রিপ্রেজেটিয়ন অফ পাবলিক এক্ট এর দুটি ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার  ১৯২ ধারা, জামিন যোগ্য, দাঙ্গার উদ্দেশে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ। ১৯৬ ধারা, জামিন অযোগ্য, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি নষ্ট করে ঘৃণা ছড়ানো। ৩৫১/২ ধারা, জামিন অযোগ্য, মৃত্যুর ভয় দেখানো, হুমকি দিয়ে মানুষের সম্মান ও সম্প্রীতি নষ্ট করা। ৩৫৩(১)(c) ধারা, জামিন যোগ্য। মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও গুজব ছড়ানো। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৩(২) ও ১২৫ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য দিয়ে মানুষ ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে চাপ তৈরি করা।

https://drive.google.com/file/d/1laDkHZLc1dfCiJZCvuaCEUIxeOUK8C_k/view 

Advertisement
ads

ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিলের এক জনসভা থেকে। সেখানে অভিষেক বলেন, “৪ তারিখ রাত ১২টার পরে কে তাদের বাঁচাতে আসে, সেটাও দেখব।” এই বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ-সহ অভিযোগ দায়ের করেন সমাজকর্মী রাজীব সরকার। পরে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় মামলা রুজু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় দাঙ্গায় উস্কানি, গোষ্ঠীগত সম্প্রীতি নষ্ট, ভয় দেখানো এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, বিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচনী মঞ্চে উস্কানিমূলক ভাষা ব্যবহার কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এখন তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই মামলার রাজনৈতিক প্রভাব কতটা পড়ে, সেদিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement