মহেশতলা উত্তপ্ত, শুভেন্দুকে অনুমতি দিল হাই কোর্ট, পুলিশকে খোঁচা বিচারপতির
Connect with us

রাজনীতি

মহেশতলা উত্তপ্ত, শুভেন্দুকে অনুমতি দিল হাই কোর্ট, পুলিশকে খোঁচা বিচারপতির

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মহেশতলার (Maheshtala) অশান্তি বিধ্বস্ত এলাকায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য (Justice Sougata Bhattacharya) স্পষ্ট জানান, শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু ওই এলাকায় যেতে পারবেন। তবে সঙ্গে থাকতে পারবেন মাত্র দু’জন।

বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, শুভেন্দু অধিকারীর মহেশতলা সফরের সময় কোনও মিছিল বা জমায়েত করা যাবে না। এমনকি কোনও রকম উত্তেজক বা বিতর্কিত মন্তব্য করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সবমিলিয়ে আদালতের কড়া নজরদারিতে মঙ্গলবার শুভেন্দুর ওই এলাকায় যাওয়ার পথ খুলে গেল।

বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে শুভেন্দুর আইনজীবী সূর্যনীল দাস (Suryaneel Das) জানান, মহেশতলায় যাওয়ার জন্য পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করা হলেও প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার পর্যন্ত ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে, যা মঙ্গলবার থেকে উঠে যাবে।

আরও পড়ুনঃ পাঁচ দফা দাবিতে আমরণ অনশন, গুরুতর অসুস্থ ৬ শিক্ষক

Advertisement
ads

বিষয়টি শুনে বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) এবং অ্যাডভোকেট জেনারেলকে প্রশ্ন করেন, আদালত যদি অনুমতি দেয়, তবে তাঁদের আপত্তির কারণ কী? উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী বারবার অশান্ত এলাকায় যেতে চান কেন?”

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “আদালতকে রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম বানানো ঠিক নয়।” এই মন্তব্যের পাল্টা বিচারপতি বলেন, “যদি বিরোধী দলনেতাকে আপনারা আটকান, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হবে?”

অবশেষে বিচারপতির নির্দেশে শর্তসাপেক্ষে শুভেন্দু অধিকারীর মহেশতলা সফরের অনুমতি মেলে।

উল্লেখ্য, ১১ জুন মহেশতলার আক্রা সন্তোষপুর (Akra Santoshpur) এলাকায় ফলের দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ বাঁধে। প্রথমে বচসা, তারপর তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর, ছাদ থেকে ইট ছোঁড়া, বাইকে আগুন লাগানো এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

Advertisement
ads

পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে ব়্যাফ (RAF) নামায়, ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। মৃদু লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা হয়। ওই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হন এবং এলাকার একাধিক বাড়ি ও দোকানে ক্ষয়ক্ষতি হয়।

Continue Reading
Advertisement