ভাইরাল খবর
বন্যার্তদের পাশে বামফ্রন্ট, কলকাতায় ত্রাণ সংগ্রহে বালতি হাতে পথে সিপিএম নেতৃত্ব
ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গে (North Bengal) ভয়াবহ বন্যা (flood) পরিস্থিতি। ভেসে গেছে ঘরবাড়ি, গাছপালা, গবাদি পশু, কৃষিজমি— হারিয়েছে বহু মানুষের জীবন। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে রাজ্য প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা (inaction) ও গাফিলতির বিরুদ্ধে সরব হল সিপিএম (CPIM)।
কলকাতার রাস্তায় ত্রাণ সংগ্রহে পথে নামলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু (Biman Basu)-সহ সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটি (Kolkata District Committee)। হাতে বালতি (bucket) নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানালেন নেতারা।
বিমানবাবুর অভিযোগ, “পর্যাপ্ত আবহাওয়া সতর্কতা (weather alert) থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার কোনও প্রস্তুতি নেয়নি। প্রশাসনের গাফিলতির কারণেই আজ এত বড় বিপর্যয়। শুধু তাই নয়, সরকার এই দুর্যোগেও উৎসবে ব্যস্ত, মানুষের দুর্দশার কোনও মূল্য নেই।”
তিনি আরও বলেন, “নদী বাঁধ (embankment) দিয়ে, পাহাড় কেটে (hill cutting), জঙ্গল নষ্ট করে (deforestation) এবং জলাশয় বুজিয়ে (wetland reclamation) ‘উন্নয়নের’ নামে প্রকৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। তার ফল আজ এই বিপর্যয়।”
সিপিএমের মতে, রাজ্য সরকার যেমন দায় এড়াতে পারে না, তেমনই কেন্দ্রীয় সরকারেরও সমান দায় আছে। বিমান বসু উদাহরণ টেনে বলেন, “উত্তরাখণ্ড, হিমাচলেও একই দৃশ্য— হিমালয়ের পাদদেশে লাগাতার ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। এটা যেন রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
তবে এই অচল প্রশাসনের ভরসায় না থেকে, ‘মানুষের পাশে মানুষ’ (people helping people) – এই বার্তা নিয়েই ময়দানে নামছে বামেরা। রেড ভলান্টিয়ার (Red Volunteers), ছাত্র-যুব সংগঠন ইতিমধ্যেই দুর্গত এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। চলছে রান্না করা খাবার, ওষুধ, শুকনো খাবার পৌঁছে দেওয়া। তৈরি হয়েছে একাধিক ত্রাণ শিবির (relief camps)।
সিপিএম-এর বার্তা স্পষ্ট— প্রশাসন মুখ ফিরিয়ে নিলেও, সাধারণ মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াবে, আর সেই চেষ্টাই এখন মূল রাজনৈতিক কর্মসূচি।


