রাজনীতিতে ইতি টানতে চলেছেন চিরঞ্জিত? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা
Connect with us

রাজ্যের খবর

রাজনীতিতে ইতি টানতে চলেছেন চিরঞ্জিত? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) এক বছর আগেই রাজনৈতিক ময়দান থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন বারাসতের তিনবারের তৃণমূল বিধায়ক ও জনপ্রিয় অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)। রবিবার এক জনসংযোগ অনুষ্ঠানে গিয়ে সাফ ভাষায় জানালেন, তাঁর বয়স হয়েছে, এবার তিনি “নিজের মতো করে বাঁচতে চান।”

চিরঞ্জিতের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশ্ন উঠেছে, দল তাঁকে কি আর প্রার্থী করবে না, নাকি তিনি নিজেই রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাইছেন?

সেদিন বারাসত পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন চিরঞ্জিত। সেখানে ‘হ্যালো কাউন্সিলর’ (Hello Councillor) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন হয়, যেখানে নাগরিকরা সরাসরি কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সেই মঞ্চেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চিরঞ্জিত বলেন,
“১৫ বছর হয়ে গেল বারাসতে। মানুষের পাশে ছিলাম, ভালো-মন্দ ভাগ করে নিয়েছি। প্রথমবার হয়তো সুপারস্টার হিসেবে আমাকে মানুষ ভোট দিয়েছেন, কিন্তু দ্বিতীয়, তৃতীয়বার মানুষ যাচাই করে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা আমাকে সম্মান দিয়েছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন। তবে এখন বয়স হয়েছে। আমার মনে হয়, হস্তান্তরের সময় এসে গেছে। আমি এবার নিজের মতো করে বাঁচতে চাই।”

আরও পড়ুনঃ অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের কড়া বার্তা, পুশব্যাক অভিযানে গতি আনার নির্দেশ

Advertisement
ads

চিরঞ্জিত জানান, তিনি এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গেও কথা বলেছেন। তাঁর কথায়, “আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টা জানিয়েছি। উনি বলেছেন, এখনও অনেক সময় আছে, এক বছর বাকি। উনি যদি বলেন আমাকে থাকতেই হবে, আমার থাকা প্রয়োজন, তাহলে নতুন করে ভাবব।”

রাজনীতিতে তাঁর আগ্রহ আদৌ ছিল কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে চিরঞ্জিত সোজাসাপটা বলেন, “আমি তো শুরু থেকেই বলে এসেছি, রাজনীতি আমার পেশা নয়। সিনেমা আমার কাজ। রাজনীতিতে যারা সত্যিই আগ্রহী, যাঁরা এটা দায়িত্ব হিসেবে নিতে চান, তাঁরাই থাকুন। আমি সেটা কখনও চাইনি।”

তৃণমূলের অন্দরেই অনেকে মনে করছেন, বারাসতের জনপ্রিয় বিধায়ক ধীরে ধীরে নিজের জায়গা নতুন মুখের জন্য ছেড়ে দেওয়ার পথে এগোচ্ছেন। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরই নির্ভর করছে।

চিরঞ্জিতের এই ঘোষণায় শুধু বারাসত নয়, টলিউড ও রাজনৈতিক মহলেও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ২০২৬-এর নির্বাচনে বারাসতে কি দেখা যাবে নতুন মুখ? আর অভিনয়ে কি এবার পুরোপুরি ফিরবেন চিরঞ্জিত?

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement