বাংলাদেশ
বাংলাদেশে হিন্দু শ্রমিক দীপু দাসকে পুড়িয়ে হত্যা! প্রধান অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাত গ্রেফতার
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলাদেশের ময়মনসিংহে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের (murder) মূল অভিযুক্ত ইয়াসিন আরাফাতকে (Yasin Arafat) গ্রেপ্তার (arrested) করা হয়েছে। পুলিশের (police) অনুসন্ধান অনুযায়ী, ইয়াসিন পেশায় শিক্ষক (teacher) ছিলেন এবং পুরো হত্যাকাণ্ড পরিকল্পনা (plan) তিনিই করেছিলেন। ঘটনার (incident) সময় তিনি জনতাকে (mob) উসকানি দিয়েছিলেন এবং দীপুকে (Dipu Das) টেনে হিঁচড়ে ভিড়ের হাতে তুলে দিয়ে হত্যা ঘটিয়েছেন।
দীপু ময়মনসিংহের (Mymensingh) ভালুকার একটি কারখানায় (factory) কর্মরত ছিলেন। ঘটনার রাতে কারখানায় একদল বিক্ষুব্ধ (angry) জনতা ঢুকে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। দীপুকে টেনে বের করে গণপিটুনি দেওয়া হয় এবং এরপর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে (highway) গাছে (tree) বেঁধে আগুন (fire) দিয়ে হত্যা করা হয়।
সূত্রের (source) মতে, ইয়াসিন এলাকায় পরিচিত মুখ হওয়ায় (influential) ভিড় দ্রুত জমে যায়। তিনি নিজেই ঘটনার (incident) নেতৃত্ব দেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারের সময় ইয়াসিন স্বীকার করেছেন যে তিনি ভিড়কে উস্কানি (incite) দিয়েছিলেন। হত্যাকাণ্ডে তার সহকর্মীরাও (colleagues) জড়িত ছিলেন।
এ পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার (arrest) করা হয়েছে। পুলিশের (police) অনুসন্ধান চলছেই যে, আরও কেউ জড়িত (involved) আছে কি না। আন্তর্জাতিক (international) পর্যায়ে এই হত্যাকাণ্ড দেশীয় সংখ্যালঘুদের (minorities) বিরুদ্ধে সহিংসতার (violence) জন্য তীব্র নিন্দা (condemnation) সৃষ্টি করেছে।
দীপু দাস হত্যার পর হিন্দু সম্প্রদায়ের আরও আক্রান্তরা:
-
রাজবাড়ী জেলায় অমৃত মণ্ডল গ্রামে পিটিয়ে হত্যা।
-
ময়মনসিংহে বজেন্দ্র বিশ্বাস গুলি করে হত্যা।
-
শারিয়াপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত এবং জ্বালিয়ে হত্যা; পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু।
-
যশোর জেলায় রানা প্রতাপ, একজন সংবাদপত্র সম্পাদক ও ব্যবসায়ী, অজ্ঞাত হামলাকারীর হাতে গুলি করে হত্যা।
-
নওগাঁ জেলায় ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু যুবক চুরির সন্দেহে স্থানীয়দের ধাওয়ায় পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ইয়াসিন আরাফাত ১২ দিন ধরে বিভিন্ন মাদ্রাসায় পালিয়ে ছিলেন। পরে তিনি সাফা নামে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।


