শিলিগুড়ির মেয়র পদ ছাড়লেন গৌতম দেব! উত্তরবঙ্গে কার্যত অস্তিত্ব সংকটে ঘাসফুল শিবির
Connect with us

উত্তরবঙ্গ

শিলিগুড়ির মেয়র পদ ছাড়লেন গৌতম দেব! উত্তরবঙ্গে কার্যত অস্তিত্ব সংকটে ঘাসফুল শিবির

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির ধাক্কা সামলানোর আগেই নতুন সংকটের (Crisis) মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মতো জেলাগুলিতে দলের অস্তিত্ব যখন প্রশ্নের মুখে, ঠিক তখনই শিলিগুড়ির মেয়র পদ থেকে ইস্তফা (Resignation) দিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। শুক্রবার সকালে তিনি পুর কমিশনারের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। সিতাইয়ের জয়ী প্রার্থী সঙ্গীতা বসুনিয়াসহ একাধিক সাংসদ ও জনপ্রতিনিধি বর্তমানে বিদ্রোহী শিবিরে। এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের শেষ শক্ত ঘাঁটি (Stronghold) হিসেবে বিবেচিত শিলিগুড়ি পুরনিগমও এবার হাতছাড়া হওয়ার উপক্রম।

বুধবারই গৌতম দেবকে দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের (সমতল) চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে দলীয় নেতৃত্ব (Leadership)। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন তিনি প্রশাসনিক দায়িত্বের বদলে সংগঠনকে চাঙ্গা করার কাজে বেশি সময় দিন। তবে পুরবোর্ডের মেয়াদ আরও এক বছর বাকি থাকতে এই আচমকা পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা (Speculation) শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পুরনিগমে মেয়র পারিষদদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন গৌতম দেব। সেখানে তিনি পদত্যাগের ইচ্ছে প্রকাশ করলে পারিষদদের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ (Disagreement) দেখা দেয়। একাংশের মতে, এই সময়ে পদত্যাগ করলে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে দল আরও দুর্বল হবে। তবে গৌতম দেব নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শিলিগুড়ি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েও তাঁর পরাজয় হয় এবং শহরের প্রায় সব ওয়ার্ডেই তৃণমূলের ভরাডুবি হয়। সম্ভবত এই কারণেই তিনি মেয়র পদে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছিলেন না। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের (Political Observers) মতে, গৌতম দেবের পর নতুন কাউকে মেয়র করে বোর্ড ধরে রাখা তৃণমূলের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হবে, যার ফলে উত্তরবঙ্গে দল কার্যত শূন্যের কোঠায়।

Continue Reading
Advertisement