জামিনে মুক্তি পেলেও পার্থর জন্য কালীঘাটের দরজা বন্ধ! স্পষ্ট বার্তা— ‘তৃণমূল ছায়াও মাড়াবে না।’
Connect with us

রাজনীতি

জামিনে মুক্তি পেলেও পার্থর জন্য কালীঘাটের দরজা বন্ধ! স্পষ্ট বার্তা— ‘তৃণমূল ছায়াও মাড়াবে না।’

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সওয়া তিন বছর কারাবাসের পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। কিন্তু মুক্তি পেয়েই তিনি যেন ফিরে যেতে চাইছেন আলোচনার কেন্দ্রে। লাগাতার সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করছেন, “মনে রাখবেন, অভিষেক-মমতা আর আমি তৃণমূলের (TMC) অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

তবে কালীঘাটের (Kalighat) বার্তা একেবারেই অন্যরকম। দলীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্যায় কালীঘাট থেকে স্পষ্ট নির্দেশ গিয়েছে তৃণমূলের মুখপাত্রদের কাছে— সংবাদমাধ্যমে যদি পার্থ চট্টোপাধ্যায় সম্পর্কে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে জানাতে হবে তিনি এখনও সাসপেন্ডেড নেতা (Suspended Leader)

দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্নীতির অভিযোগে পার্থকে ছয় বছরের জন্য দল থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তার মধ্যে মাত্র সওয়া তিন বছর কেটেছে, অর্থাৎ এখনও প্রায় দুই বছর সাত মাস সাসপেনশনের (Suspension) মেয়াদ বাকি। কালীঘাট আরও স্পষ্ট করেছে— পার্থর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। তিনি শুধু জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, নির্দোষ (Innocent) প্রমাণিত নন। তাই দলে ফিরে আসার প্রশ্নই ওঠে না।

মঙ্গলবার দুপুরে পার্থ জামিনে মুক্তি পান। তারপর থেকেই তাঁর নাকতলার (Naktala) বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের ভিড়। সেই সাক্ষাৎকারে পার্থ খোলাখুলিভাবে বলেন, “অর্পিতা ছিল, আছে, থাকবে।” স্ত্রী বিয়োগের পর অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) তাঁর জীবনের শূন্যতা পূরণ করেছিলেন বলেও দাবি করেন।

Advertisement
ads

এই বক্তব্য ঘিরে সমাজমাধ্যমে (Social Media) ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন— “যে নেতার বাড়ি থেকে ৫০ কোটি টাকার নগদ (Cash) ও সোনা (Gold) উদ্ধার হয়েছিল, তাঁকে ঘিরে এত প্রচার কেন?”

কালীঘাট ঘনিষ্ঠ এক নেতার কথায়, “দলের অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ঠিকই, কিন্তু পার্থর ঘটনাটি ছিল দৃশ্যদূষণ (Public Embarrassment)। ওঁর জন্য দল যে অপমান সহ্য করেছে, তা আর কারও জন্য হয়নি। তাই ওঁর ছায়াও মাড়াবে না তৃণমূল।”

পার্থ এখনো বেহালা পশ্চিমের (Behala Paschim) বিধায়ক। তাই বিধানসভায় (Assembly) যাওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। কিন্তু দলীয় সূত্র বলছে, সেখানে গেলে তৃণমূল বিধায়করা হয়তো তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন না। এক নেতার কথায়, “ওর না যাওয়াই ভালো। আগে যাঁরা দেখা করতে বাইরে দাঁড়াতেন, এখন তাঁরা মুখ ফেরাবেন। দায়টা ওঁরই।”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement