ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল হদিস: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে শনাক্ত ১৮ জনের পরিচয়
Connect with us

ভাইরাল খবর

ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল হদিস: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে শনাক্ত ১৮ জনের পরিচয়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গত ২৫ জানুয়ারি আনন্দপুরের (Anandapur) নাজিরাবাদে জোড়া গুদামে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড (Massive Fire) ঘটেছিল, তার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডিএনএ ম্যাপিং (DNA Mapping) রিপোর্ট আসতে শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া দেহাংশ থেকে আপাতত ১৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা।

২৭ জন নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি (Missing Diary) জমা পড়লেও ভস্মীভূত স্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশগুলো চেনার কোনো উপায় ছিল না। ফলে পরিচয় নিশ্চিত করতে ফরেনসিক (Forensic) বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নরেন্দ্রপুর থানায় আসা প্রাথমিক রিপোর্টে মৃতদের পরিচয় মিললেও, এখনো নিখোঁজ অনেকের হদিস মেলেনি।

ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য (Compensation) প্রদান করেছে। তবে দেহ পাওয়ার আগেই ক্ষতিপূরণের চেক হাতে আসায় অনেক পরিবারই ধন্দে পড়েছেন। মেদিনীপুরের মণ্ডল পরিবার বা ঝাড়গ্রামের রবীশ হাঁসদার পরিবার এখনো প্রিয়জনের শেষকৃত্য (Funeral Rites) সম্পন্ন করতে পারেনি।

Advertisement
ads

পুলিশ ইতিমধ্যেই ডেকরেটর সংস্থার মালিক গঙ্গাধর দাস এবং ‘ওয়াও মোমো’ (Wow Momo) সংস্থার তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার (Arrest) করেছে। গুদামগুলিতে সঠিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা (Firefighting system) ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল ও পুলিশ আধিকারিকরা। খুব শীঘ্রই শনাক্ত হওয়া দেহাংশগুলি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।