হামলা
মাদ্রাসার পড়ুয়াদের ‘মানবঢাল’ বানানোর ষড়যন্ত্র ফাঁস, মুখ ফসকে কবুল পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফের এক বিবৃতি শোরগোল ফেলে দিয়েছে। মন্ত্রীর কথায়, পাকিস্তানের মাদ্রাসা পড়ুয়াদেরও প্রয়োজনে “মানবঢাল” হিসেবে ব্যবহার করার ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তাঁর একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি বলছেন, “আমাদের কাছে মাদ্রাসার পড়ুয়ারা আছে। ওখানে যারা পড়াশোনা করছে তারা পাকিস্তানের সেকেন্ড লাইন অফ ডিফেন্স।”
এদিকে, তিনি আরও যোগ করেছেন, “দেশের অবস্থা বুঝে তাদের ব্যবহার করা যেতেই পারে।” এই মন্তব্যটি প্রকাশ্যে আসার পরই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই বিষয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও ভিডিওটির সঠিক সময় এবং তারিখ নিশ্চিত করা হয়নি, তবে তা থেকে স্পষ্ট যে, পাকিস্তান কিছু দুর্বল জনগণকে সামনে এনে আন্তর্জাতিক মহলে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুনঃ ভারত-পাকিস্তান সঙ্কটে বিপাকে PSL, আমিরশাহীতে ম্যাচ আয়োজনে অনিচ্ছুক ECB
পাকিস্তানের এই কৌশল নতুন কিছু নয়, কারণ ভারতীয় সেনা ইতিমধ্যেই প্রমাণ দিয়েছে যে, ইসলামাবাদ তাদের আক্রমণের সময় অনেক ক্ষেত্রে নিরীহ নাগরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। ভারতীয় সেনার রাডারের ছবি থেকে জানা গেছে, পাকিস্তান ড্রোন হামলা চলানোর সময় আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলকে আকাশপথে চলাচল করতে দিয়েছে, যা বিমানের যাত্রীদের জন্য বিপজ্জনক ছিল। এমনকি পাকিস্তান কখনও কখনও বিমানবন্দরের কাছেও আকাশপথে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে নিরীহ যাত্রীদের।
ভারতীয় সেনার উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং জানিয়েছেন, “ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল করছে। পাকিস্তান জানত যে এটি বিমানের যাত্রীদের জন্য বিপজ্জনক। অথচ তারা সেই পরিস্থিতিতে আকাশপথ খোলা রেখেছিল, যেন তাদের পক্ষে কোনও আক্রমণ রুখতে পারে।”
এদিকে, পাকিস্তানের মন্ত্রীর এ ধরনের বিবৃতি একদিকে যেমন পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী মনোভাব প্রকাশ করে, তেমনই এটি আন্তর্জাতিক আঙিনায় পাকিস্তানের নীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলে দেয়। ভারতের সেনাবাহিনী এই ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রস্তুতি জোরদার করেছে এবং তাদের কার্যক্রম সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
প্রসঙ্গত, পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কখনও কখনও মানবিকতা বিসর্জন দিয়ে এই ধরনের কৌশল গ্রহণ করলেও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জোরালো হচ্ছে।
