উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে বিজেপি'র শঙ্কর ঘোষ ও খগেন মুর্মু
Connect with us

রাজনীতি

উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হামলার মুখে বিজেপি’র শঙ্কর ঘোষ ও খগেন মুর্মু

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গের (North Bengal) ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি (flood situation) খতিয়ে দেখতে গিয়ে নাগরাকাটায় (Nagrakata) আক্রান্ত হলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ খগেন মুর্মু (Khagen Murmu) এবং শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)। এই হামলায় সাংসদ খগেন মুর্মু গুরুতরভাবে রক্তাক্ত (bloody) হয়েছেন।

জানা যাচ্ছে, এদিন বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের সময় আচমকাই তাঁদের ওপর একদল দুষ্কৃতী (miscreants) হামলা চালায়। শুরু হয় ব্যাপক ইটবৃষ্টি (stone pelting)। বাঁশ (bamboo) ও লোহার রড (iron rods) দিয়ে মারধর করা হয় এবং খগেন মুর্মুর গাড়িতে ভাঙচুর (vandalism) করা হয়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় চরম চাঞ্চল্য (sensation) ছড়িয়েছে।

আক্রান্ত হওয়ার পর বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানান, পরিকল্পিতভাবে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। চালকের তৎপরতায় (driver’s promptness) তাঁরা দ্রুত এলাকা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

বিজেপি এই হামলার জন্য রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে (TMC) দায়ী করেছে এবং এটিকে পরিকল্পিত হামলা (planned attack) বলে অভিযোগ করেছে। যদিও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সাংসদ-বিধায়ক হিসেবে ওরা ব্যর্থ, তারই ফলে মানুষ ক্ষোভ উগরে দিয়েছে।”

Advertisement
ads

এদিকে, ভয়াবহ দুর্যোগে উত্তরবঙ্গে বহু মানুষের প্রাণহানি (loss of life) ঘটেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি (damage) হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাহায্য করতে গিয়ে সাংসদ-বিধায়কের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) কার্নিভাল নিয়ে ব্যস্ত, উত্তরের মানুষ ভাসছে। রাজ্যে যে আইনের শাসন (rule of law) নেই, তা আবারও স্পষ্ট হল।”

আক্রান্ত সাংসদ খগেন মুর্মুকে গুরুতর আহত (seriously injured) অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক (critical)। খবর পেয়ে শিলিগুড়ি বিমানবন্দর (airport) থেকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব (central leadership) রাজ্যের নেতাদের কাছ থেকে দ্রুত বিস্তারিত রিপোর্ট (detailed report) চেয়ে পাঠিয়েছে।

Continue Reading
Advertisement