ভাইরাল খবর
পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভোট ঘিরে রক্তপাত! পুলিশের গুলিতে অন্তত ২০ জন নিহত
ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (Pakistan-occupied Kashmir/PoK) নির্বাচনকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ও হিংসার অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রথম দফার ভোটগ্রহণের দিন রাওয়ালকোট (Rawalakot) ও কোটলি (Kotli)-সহ একাধিক এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পাকিস্তান পুলিশ (Pakistan Police) ও নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই ঘটনায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। তবে এই হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার অনুষ্ঠিত তিন দফার নির্বাচনের প্রথম পর্ব শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির খবর আসে। কোথাও ব্যালট (Ballot) পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে, কোথাও আবার বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গত ৫২ দিন ধরে রাওয়ালকোটে আন্দোলন চালিয়ে আসা জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)-র সমর্থকদের দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে হঠাৎ গুলি চালানো হয়।
Eyewitness reports casualties in Rawalakot, Pakistan occupied Kashmir https://t.co/X6mZ0jJTNE pic.twitter.com/un2LBDqOr3
— Sidhant Sibal (@sidhant) July 27, 2026
⚡️BREAKING
Pakistani authorities opened fire on peaceful protesters in Kashmir
Pakistani sources: Large crowds had gathered in Drek Eidgah, Rawalakot, Azad Kashmir, to protest in boycott of the elections.
Pakistani military and police forces responded with live ammunition,… pic.twitter.com/xAnLvidn6o
— Warfare Analysis (@warfareanalysis) July 27, 2026
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে গুলিবর্ষণ ও রাস্তায় আহত বা পড়ে থাকা মানুষের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। তবে ওই ভিডিওগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, ঘটনাস্থলে বহু মানুষ আহত হন এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক কারচুপির (Rigging) অভিযোগও উঠেছে। কোটলি জেলার নিকিয়াল এলাকায় ভোট চলাকালীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP)-র এক কর্মী মুখতার ইউনুস গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বলে অভিযোগ। এর পর পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো-জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari) নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (PML-N)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) আগেই এই নির্বাচন বয়কট (Boycott) করার ঘোষণা দিয়েছিল। দলটির অভিযোগ, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তারা।
