দেশের খবর
কেন্দ্র-ককরোচ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও কাটল না জট! শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি CJP-র
ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রশ্নফাঁস (Paper Leak) ইস্যুতে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর কেন্দ্রীয় সরকার ও ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হলেও কাটল না অচলাবস্থা (Deadlock)। দিল্লির ভিপি হাউসে প্রায় দুই ঘণ্টার আলোচনার পরও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) ইস্তফার দাবি থেকে সরে আসেনি ককরোচ জনতা পার্টি।
বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ককরোচ জনতা পার্টির দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এবং জেপি নাড্ডা। বৈঠকে প্রশ্নফাঁস রোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি নিজেদের দাবিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন ককরোচের প্রতিনিধিরা।
সূত্রের খবর, আন্দোলনকারীদের একাধিক দাবি নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে কেন্দ্র। প্রশ্নফাঁসে (Exam Scam) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানো, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহারের মতো বিষয়ে পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এমনকি প্রশ্নফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও কেন্দ্র সম্মতি জানিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তবে মূল জট তৈরি হয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ (Resignation) নিয়ে। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা না দিলে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না। বরং আগামী দিনে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।
বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানান, কেন্দ্র তাঁদের দুই দাবির সঙ্গে নৈতিকভাবে একমত হয়েছে। তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সরকার আরও একদিন সময় চেয়েছে।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডাও বিষয়টি নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়েছেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী শনিবারের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও বড় আকারে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
