উত্তরবঙ্গ
পালাবদলের পর পাহাড়ে কাঁপন! উত্তরবঙ্গে পা রেখেই ‘জিটিএ ফাইলস’ খোলার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর উত্তরবঙ্গের মাটিতে পা রেখেই পাহাড় রাজনীতিতে বড় ধামাকা করলেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) শুভেন্দু অধিকারী। শিলিগুড়িতে নেমেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ (GTA)-তে কীভাবে কাজ হয়েছে, কতটা কাজ হয়েছে এবং কোথায় কোথায় অর্থ বরাদ্দ (Fund Allocation) হয়েছে, সেই সমস্ত ফাইল এবার নতুন করে খোলা হবে। পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে দুর্নীতিগ্রস্তদের রেয়াত করা হবে না বলে কড়া বার্তা (Strict Warning) দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এর আগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক উত্তরকন্যায় গিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের ফাইলে কেবল ‘কাগজ-কলমে’ কাজ হওয়ার প্রমাণ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এবং বেশ কিছু ঠিকাদার সংস্থাকে (Contractor Agencies) ব্ল্যাকলিস্টেড বা কালো তালিকাভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই ‘জিটিএ ফাইলস’ খোলার হুঁশিয়ারি পাহাড়ের রাজনৈতিক অলিন্দে ব্যাপক কম্পন (Political Tremor) তৈরি করেছে। তিনি স্পষ্ট দাবি করেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষের স্বপ্ন পূরণ করবে এবং তাদের দীর্ঘদিনের অভিমান দূর করবে বিজেপি।” প্রশাসনিক কাজ দ্রুত করতে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে পুরো একদিন উত্তরকন্যায় অফিস (Office) করবেন বলেও ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো (Supremo) বিমল গুরুংও জিটিএ-তে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়ে ‘লালকুঠি’ ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন। তৃণমূল আমলে অনীত থাপা ও বিনয় তামাংদের জমানায় কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে বিজেপির দীর্ঘদিনের অভিযোগ (Allegation)। রাজ্যে পালাবদলের পর দুর্নীতি ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেওয়া হয়েছে, এই তদন্ত তারই অংশ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


