দেশের খবর
ভোট মিটলেই বাড়বে পেট্রল-ডিজেলের দাম! ভবিষ্যৎবাণী করে মোদী সরকারকে তোপ রাহুলের
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের (War) প্রভাব এবার ভারতের বাজারেও স্পষ্টভাবে পড়তে শুরু করেছে। একদিকে ডলারের তুলনায় টাকার রেকর্ড পতন, অন্যদিকে জ্বালানি ও গ্যাসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি- এই জোড়া ফলায় বিদ্ধ সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিকে হাতিয়ার করে মোদী সরকারকে (Modi Government) তীব্র আক্রমণ শানালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) রাহুল গান্ধী। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি দাবি করেন, আসন্ন পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট মিটলেই পেট্রল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসের (LPG) দাম হু হু করে বাড়বে।
রাহুল গান্ধী তাঁর পোস্টে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, ডলারের বিপরীতে টাকার দর শুক্রবার ৮৬ পয়সা কমে ৯৩.৭৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ১ ডলারের দাম প্রায় ৯৪ টাকার কাছাকাছি পৌঁছানোকে তিনি অর্থনীতির জন্য ‘অশনি সংকেত’ বলে মনে করছেন। তাঁর মতে, ডলারের নিরিখে রুপির এই দুর্বলতা (Depreciation) কেবল পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি আসন্ন মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) স্পষ্ট ইঙ্গিত। রাহুল আরও সতর্ক করেছেন যে, এর ফলে উৎপাদন ও পরিবহণ খরচ বাড়বে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (MSME) ধাক্কা খাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা (Foreign Investors) বাজার থেকে টাকা তুলে নিলে শেয়ার বাজারেও ধস নামবে।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, এই সংকট মোকাবিলার মতো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা (Strategy) নেই। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “সরকার কী বলছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, সাধারণ মানুষের পাতে কী পড়ে থাকছে সেটাই আসল।” একইভাবে রাজ্যসভা সাংসদ কপিল সিব্বলও প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পশ্চিম এশিয়ায় ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে হরমুজ় প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির জোগানে টান পড়েছে, যার প্রভাব ইতিমধ্যে হোটেল ও রেস্তোরাঁ শিল্পে পড়তে শুরু করেছে। এপ্রিলের ভোট মিটলেই সরকার ‘আসল খেলা’ শুরু করবে বলে দাবি বিরোধীদের।


