যুদ্ধ থামাতে রাজি ইরান, তবে তিন শর্তে! স্পষ্ট জানালেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
Connect with us

দেশের খবর

যুদ্ধ থামাতে রাজি ইরান, তবে তিন শর্তে! স্পষ্ট জানালেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত (Conflict) এক চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় ইরান কার্যত বিধ্বস্ত। ঠিক এই সময়েই শান্তির প্রস্তাব নিয়ে সামনে এলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, ইরান আঞ্চলিক শান্তি (Regional Peace) ফেরাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তবে যুদ্ধ থামাতে গেলে হোয়াইট হাউস এবং তেল আভিভকে মানতে হবে তিনটি নির্দিষ্ট শর্ত (Conditions)।

সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, সংঘাত অবসানের জন্য প্রথমত, ইরানের ‘বৈধ অধিকার’ (Legitimate Rights) স্বীকৃতি দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধের ফলে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ (Compensation) দিতে হবে এবং তৃতীয়ত, ভবিষ্যতে আর কোনো আগ্রাসন (Aggression) হবে না- এই মর্মে আন্তর্জাতিক স্তরে দৃঢ় গ্যারান্টি (International Guarantee) দিতে হবে। রাশিয়া এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরেই তেহরান এই অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, আমেরিকা এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছে এবং ইরানের ৫৮টি নৌসেনা জাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে। ট্রাম্পের মতে, ইরানে আক্রমণ করার মতো আর বিশেষ কিছু অবশিষ্ট নেই। তবে তিনি সাফ জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান (Operation) থামবে না। পেন্টাগনের (Pentagon) রিপোর্ট অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই আমেরিকার করদাতাদের (Taxpayers) প্রায় ১১.৩ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।

Advertisement
ads

বর্তমানে হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) কার্যত অচল হয়ে রয়েছে, যেখানে একের পর এক পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হচ্ছে। ইরান এই পরিস্থিতির জন্য ‘জায়নিস্ট শাসন’ (Zionist Regime) ও আমেরিকার যুদ্ধংদেহী নীতিকেই দায়ী করেছে। এখন দেখার, তেহরানের দেওয়া এই তিন শর্তের ওপর ভিত্তি করে আমেরিকা কোনো সমঝোতায় আসে কি না।