বিশ্বের খবর
ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেহরানে! তবুও আত্মসমর্পণ মেনে নিতে নারাজ ইরান
ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন (War Fire) নেভার কোনো লক্ষণ নেই। শনিবার সকালে নতুন করে ইরানের রাজধানী তেহরানে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ (Missile Attack) শুরু করেছে ইজরায়েলি সেনা (IDF)। এই হামলায় তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দর দাউদাউ আগুনে জ্বলতে দেখা গিয়েছে। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে’র (Unconditional Surrender) দাবি ও নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রস্তাব কড়া ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
যুদ্ধের আট দিন পেরিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। আইডিএফ-এর দাবি অনুযায়ী, গ্রেটার তেল আভিভ ও মধ্য ইজরায়েলে ইরানের লাগাতার হামলার বদলা নিতেই তেহরানে এই অভিযান। অন্যদিকে, ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশাল’ পোস্টের পালটা দিয়ে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনো চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না। তেহরানের স্পষ্ট বার্তা, নতুন সুপ্রিম লিডার (Supreme Leader) নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এতে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না।
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে শুধু ইরানেই মৃতের সংখ্যা ১,০০০ ছাড়িয়েছে। গত পাঁচ দিনে ইরান প্রায় ৫০০ ব্যালিস্টিক মিসাইল (Ballistic Missile) এবং ২,০০০ ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পালটা জবাবে ইজরায়েল ও আমেরিকা ইরানের ২,০০০-এর বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মাঝেই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে জর্ডানের মুওয়াফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি অত্যন্ত আধুনিক রাডার (Radar) ধ্বংস হওয়া। প্রায় ৩০ কোটি ডলার মূল্যের এই রাডারটি নষ্ট হওয়ায় মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সীমিত মজুত (Limited Stock) ও গুরুত্বপূর্ণ রাডার হারানো আমেরিকার জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
