‘২০ হাজারে বউ পাবে’ মন্তব্যে বিতর্ক, বিজেপি নারীকল্যাণ মন্ত্রীর স্বামীর ভিডিও ভাইরাল
Connect with us

ভাইরাল খবর

‘২০ হাজারে বউ পাবে’ মন্তব্যে বিতর্ক, বিজেপি নারীকল্যাণ মন্ত্রীর স্বামীর ভিডিও ভাইরাল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিহারের মেয়েদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে তীব্র বিতর্কে জড়ালেন উত্তরাখণ্ডের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী (Women and Child Development Minister) রেখা আর্যর স্বামী গিরিধারী লাল সাহু (Giridhari Lal Sahu)। একটি ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “২০–২৫ হাজার টাকা দিলেই বিহার থেকে মেয়ে পাওয়া যায়, যে কেউ বিয়ে করতে পারে।” এই মন্তব্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

 একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গিরিধারী বলেন, “বয়স হয়ে গিয়েছে, বিয়ে হয়নি? চিন্তা নেই। আমার সঙ্গে চলুন, বিহার থেকে মেয়ে এনে বিয়ে দিয়ে দেব।” সম্প্রতি সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media Viral Video) ছড়িয়ে পড়তেই বিতর্ক চরমে ওঠে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, অভিযুক্তের স্ত্রী রেখা আর্য উত্তরাখণ্ড সরকারের নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে এই মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সরকারের মানসিকতা ও দায়বদ্ধতা নিয়েও। ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিহার রাজ্য মহিলা কমিশন (Bihar State Women Commission)। কমিশনের চেয়ারপার্সন অপ্সরা বলেন, “এটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও মহিলাদের অপমানজনক মন্তব্য। মানসিক দেউলিয়াত্ব না থাকলে এমন কথা বলা যায় না।”

বিতর্ক বাড়তেই গিরিধারী লাল সাহু ক্ষমা চান। তাঁর দাবি, মন্তব্যটি বন্ধুর বিয়ের প্রসঙ্গে করা হয়েছিল এবং সেটির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যদিও তাতে বিতর্ক থামেনি। বিজেপি (BJP) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, গিরিধারীর সঙ্গে দলের কোনও সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই এবং এই মন্তব্যের তারা নিন্দা করে।

অন্যদিকে কংগ্রেস (Congress) এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেছে। উত্তরাখণ্ড কংগ্রেস সভাপতি গণেশ গোডিয়াল বলেন, “এই মন্তব্য শুধু বিহারের নয়, গোটা দেশের কন্যাসন্তানদের অপমান।” তিনি রাজ্য বিজেপির প্রকাশ্য ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি তুলেছেন।

Advertisement
ads

ইতিমধ্যেই গিরিধারীর বিরুদ্ধে নোটিস পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বিহার মহিলা কমিশন। মানবপাচার (Human Trafficking), বাল্যবিবাহ (Child Marriage) ও নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর সামাজিক সমস্যার প্রেক্ষিতে এই মন্তব্যকে আরও বিপজ্জনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading
Advertisement