বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে পাঁচ নতুন সিনিয়র IAS নিয়োগ—কঠোর নজরদারিতে কমিশন
Connect with us

ভাইরাল খবর

বাংলায় ভোটার তালিকা সংশোধনে পাঁচ নতুন সিনিয়র IAS নিয়োগ—কঠোর নজরদারিতে কমিশন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় চলতি ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR West Bengal) আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে নতুন করে পাঁচ জন সিনিয়র আইএএস অফিসারকে (Senior IAS Officers) স্পেশ্যাল রোল অবজার্ভার (Special Roll Observer) হিসেবে নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন (ECI)। এর আগে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুব্রত গুপ্তকে (Subrata Gupta) এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার তাঁর সঙ্গে যুক্ত হলেন আরও পাঁচ দুঁদে প্রশাসনিক কর্তা, যাঁরা রাজ্যের পাঁচটি ডিভিশনে আলাদা করে পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবেন।

গত শুক্রবারের বৈঠকেই কমিশনের কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, সোমবার সেই অনুযায়ী নির্দেশ জারি করা হয়। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে—এই পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব হবে:
১) কোনও যোগ্য নাগরিক (Eligible Citizen) যাতে বাদ না পড়েন।
২) কোনও অযোগ্য ব্যক্তি (Ineligible Person) যাতে অন্তর্ভুক্ত না হন।
৩) দাবি-আপত্তি, গণনা (Enumeration), নোটিস নিষ্পত্তি থেকে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কঠোর নজরদারি রাখা।

সংবিধানের ধারা ৩২৪(৬) অনুযায়ী নিয়োগ করা এই পর্যবেক্ষকরা সম্পূর্ণভাবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবেন।

কোন ডিভিশনে কে Special Roll Observer?

  • মেদিনীপুর ডিভিশন – নিরাজ কুমার বানসোড়, আইএএস (MHA)

  • প্রেসিডেন্সি ডিভিশন – কুমার রবি কান্ত সিংহ, আইএএস (MoD)

  • মালদহ ডিভিশন – আলোক তিওয়ারি, আইএএস (Finance Ministry)

  • জলপাইগুড়ি ডিভিশন – পঙ্কজ যাদব, আইএএস (Rural Development Ministry)

  • বর্ধমান ডিভিশন – কৃষ্ণ কুমার নিরালা, আইএএস (I&B Ministry)

কমিশন পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে—পর্যবেক্ষকরা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারির সঙ্গে সমন্বয় করবেন, তবে স্থানীয় নির্বাচন কর্মীদের কোনও সার্টিফিকেট দেওয়া কিংবা সরাসরি মূল্যায়ন করা তাঁদের এখতিয়ারে নেই। প্রয়োজনে কমিশনে সুপারিশ পাঠানো যাবে।

Advertisement
ads

কেন বাড়তি নজরদারি?

কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বছর ভোটার তালিকা সংশোধন একটি বিশাল প্রশাসনিক কাজ। ২০২৫-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী এবার প্রতিটি ডিভিশনে অভিন্ন মানদণ্ডে তালিকা পুনর্বিবেচনা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এতে ভুল নাম, দ্বৈত অন্তর্ভুক্তি (Duplicate Entry) রোধ করা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির স্বচ্ছতা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য।

Continue Reading
Advertisement