সাসপেন্ডেড বিধায়কের উদ্যোগে মসজিদ শিলান্যাস, প্রশাসনের কড়া নজরদারি
Connect with us

ভাইরাল খবর

সাসপেন্ডেড বিধায়কের উদ্যোগে মসজিদ শিলান্যাস, প্রশাসনের কড়া নজরদারি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বেলডাঙায় (Beldanga) হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) উদ্যোগে আয়োজিত মসজিদ শিলান্যাস (Mosque Foundation) অনুষ্ঠানকে ঘিরে শুক্রবার রাত থেকেই চূড়ান্ত প্রস্তুতি এবং উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সদ্য তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া এই বিধায়কের বিশাল আয়োজনকে কেন্দ্র করে মাঠের চারপাশ জুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা (Unprecedented Security)। আদালতের নির্দেশকে সামনে রেখেই পুলিশ–প্রশাসন (Police-Administration) পরিস্থিতি সামাল দিতে কড়াকড়ি বজায় রেখেছে।

মরাদিঘি মোড়ের বিশাল মাঠে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত চলে মঞ্চ (Stage) তৈরির কাজ। কুইক রেসপন্স টিম (QRT), র‌্যাফ (RAF), ভিলেজ পুলিশ, মহিলা কনস্টেবল—সবাই সতর্ক দৃষ্টিতে নজর রাখছে। পাশাপাশি টহল দিচ্ছেন গোয়েন্দা বিভাগের (Intelligence Unit) আধিকারিকরাও।

হুমায়ুন জানান, শনিবার দুপুর ১২টায় মূল শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরু হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন আচার–অনুষ্ঠান থাকবে। ইতিমধ্যে রাজ্যের বাইরে থেকেও বহু ধর্মগুরু (Religious Leaders) আসতে শুরু করেছেন। আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৬০–৭০ লক্ষ টাকার আয়োজন, মাঠে থাকবে ২০০০–৩০০০ স্বেচ্ছাসেবক (Volunteers), রান্নায় যুক্ত ৭টি কেটারিং সংস্থা, তৈরি হবে ৪০ হাজার ‘শাহি বিরিয়ানি’ (Shahi Biryani)। মঞ্চ নির্মাণেই ব্যয় ১০ লক্ষ টাকা। 

Advertisement
ads

হুমায়ুনের আশা, প্রায় ৩ লক্ষ লোক জড়ো হবেন এই ২৫ বিঘার মাঠে। তবে প্রশাসনের সর্বাধিক উদ্বেগ ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক (NH-12)—যাতে এই ভিড় সড়কের গতিবিধি থামিয়ে না দেয়।

জেলা পুলিশের হিসেব অনুযায়ী, দু’জন পুলিশ সুপার, ৩০ জন ডিএসপি, ১০০ ইন্সপেক্টর, ২০০ এসআই/এএসআই–সহ মোট প্রায় ৩ হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকছে। শুক্রবার রাতে শীর্ষ আধিকারিকরা মঞ্চস্থল ঘুরে দেখেছেন এবং হুমায়ুনের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

হুমায়ুন বলেন, “পুলিশের পূর্ণ সহযোগিতা পেয়েছি। লাখ তিনেক লোক তো হবেই।”

সকাল ৮টা থেকে অতিথিদের আগমন দিয়ে শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় শিলান্যাস, তারপর খাওয়াদাওয়া—বিকেল ৪টার মধ্যে মাঠ খালি করার লক্ষ্য। একদিকে ‘বাবরি মসজিদ’ (Babri Masjid) নাম ঘিরে চলা রাজনৈতিক বিতর্ক, অন্যদিকে বিশাল জনসমাগম—সব মিলিয়ে শনিবারের অনুষ্ঠান কতটা নির্বিঘ্নে শেষ হয়, সেদিকেই নজর রাজ্যজুড়ে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement