“আমার মৃত্যু হলে দায় মমতা-অভিষেকের”—সাসপেন্ডেড TMC কাউন্সিলর
Connect with us

রাজনীতি

“আমার মৃত্যু হলে দায় মমতা-অভিষেকের”—সাসপেন্ডেড TMC কাউন্সিলর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ তমলুক পুরসভায় চেয়ারম্যান (Chairman) পদকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) তীব্র অস্থিরতার মধ্যে সাসপেন্ডেড কাউন্সিলর (Suspended Councillor) পার্থসারথি মাইতির বিস্ফোরক অভিযোগে নতুন করে চাঞ্চল্য। নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিনি। তার পরপরই তাঁকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। এমনকি দলীয় কোনও কর্মী তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও পদক্ষেপ করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে তৃণমূল।

এই পরিস্থিতিতে পার্থসারথি মাইতির অভিযোগ, তাঁর নিরাপত্তা সচেতনভাবে তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, “২০২০ সালে শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলনের সময় আমাকে নিরাপত্তা (Security) দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বহিষ্কারের কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর দু’বার নিরাপত্তা বৃদ্ধির আবেদন করি—একবার এক মাস আগে, যখন সুজিত রায় আমাকে ফোনে হুমকি দিয়েছিলেন। এসপি (SP) কোনও ব্যবস্থা নেননি। পরে নতুন জেলাশাসককেও (District Magistrate) চিঠি দিয়েছিলাম। কোনও উত্তর পাইনি। বারবার খুনের হুমকি পাচ্ছি। যদি আমার মৃত্যু হয়, তার দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি-র।”

পার্থসারথির অভিযোগ, নতুন চেয়ারম্যান চঞ্চল খাঁড়া “শুভেন্দু অধিকারীর ভাবশিষ্য” এবং অতীতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। তাঁর দাবি, দলের জেলা সভাপতিরা এলাকাবাসীর মতামত না নিয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভোট কৌশল সংস্থা IPAC-কে লক্ষ্য করে তিনি বলেন, “IPAC টাকায় কাজ করছে। কর্মীদের কথা না শুনেই দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে।”

Advertisement
ads

অন্যদিকে নতুন চেয়ারম্যান চঞ্চল খাঁড়া জানান, “এই ধরনের অভিযোগ যিনি করেন, তিনি দলের কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্য নন। নিয়ম মেনে বোর্ড মিটিং হয়েছে।”

লোকসভা নির্বাচনের পর সংগঠনে রদবদলের অংশ হিসেবে পুরনো চেয়ারম্যানকে সরিয়ে চঞ্চল খাঁড়াকে চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। এর পর থেকেই তমলুকে রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে।

Continue Reading
Advertisement