তারাপীঠ, রামপুরহাটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন রেলপথ, উপকৃত লাখো মানুষ
Connect with us

দেশের খবর

তারাপীঠ, রামপুরহাটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন রেলপথ, উপকৃত লাখো মানুষ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রেলযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর! কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Union Cabinet) অনুমোদন দিল ভাগলপুর-দুমকা-রামপুরহাট রেললাইনের (Rail Line) ডাবলিং (Doubling) প্রকল্পে। বুধবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই খবর জানান।

এই প্রকল্পে মোট ১৭৭ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হবে। আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩,১৬৯ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার—এই তিন রাজ্যের পাঁচটি জেলার ৪৪১টি গ্রামের প্রায় ২৮.৭২ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন বলে জানানো হয়েছে।

রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমানে অধিকাংশ ট্রেন ভাগলপুর (Bhagalpur) থেকে মালদা টাউন হয়ে রামপুরহাট (Rampurhat) এবং হাওড়ার দিকে যায়। কিন্তু নতুন প্রকল্প চালু হলে ট্রেন ভাগলপুর থেকে দুমকা (Dumka) হয়ে সরাসরি রামপুরহাটে পৌঁছতে পারবে। এতে যাত্রীদের যাত্রা সময় দেড় ঘণ্টা কমে যাবে।

এই রেলপথে এক্সপ্রেস (Express) ও মেল (Mail) ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। তাছাড়া তারাপীঠ (Tarapith) ও দেওঘর (Deoghar)-এর মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও ভালো হবে।

Advertisement
ads

তবে শুধু যাত্রী নয়, পণ্য পরিবহণেও এই প্রকল্প বড় ভূমিকা নেবে। কয়লা (Coal), সিমেন্ট (Cement), ইট (Bricks), পাথর (Stone), সার (Fertilizer)-এর মতো দ্রব্য পরিবহণ আরও দ্রুত হবে। রেলের দাবি, প্রতিবছর অতিরিক্ত ১৫ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহণ করা যাবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি রেলমন্ত্রীর।

এছাড়াও বিহারের (Bihar) জন্য আরও একটি বড় প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। বক্সার-ভাগলপুর করিডরের (Corridor) মোকামা (Mokama) থেকে মুঙ্গের (Munger) পর্যন্ত অংশে ৮২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেন (Four Lane) সড়ক তৈরির প্রস্তাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের বাজেট ৪,৪৪৭ কোটি টাকা।

Advertisement
ads

রেলমন্ত্রীর দাবি, এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যাতায়াতের মান উন্নত হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।

তবে ঠিক ভোটের আগে বিহারকে একের পর এক প্রকল্প দেওয়ায় বিরোধীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections) কথা মাথায় রেখেই কি এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার?

এই অভিযোগ খণ্ডন করে বৈষ্ণব বলেছেন, “কেন্দ্র সব রাজ্যের জন্যই উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করছে। শুধুমাত্র ভোট নয়, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement