সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, “নিশ্চিন্ত থাকুন, শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) দাদাগিরি অতীত করেছি, আর অতীতই থাকবে। কাদের মোল্লার মতো যে গর্তেই থাকো, আইনের হাত থেকে রক্ষা পাবে না। তিনবার ওর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি, এবার কানমারির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেবই।”
শুভেন্দু আরও বলেন, “আমার হিন্দু ভাইবোনেরা, আপনারা একজোট হন। হাতজোড় করে বলছি, নিজেদের মধ্যে ভাগ হবেন না। এখন যদি না রুখে দাঁড়ান, ভবিষ্যতে আরও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।”
আরও পড়ুনঃ “প্রশাসন বাদ দিলে তৃণমূল মাটিতে মিশে যাবে”—ফুঁসে উঠলেন সুকান্ত মজুমদার
তিনি পহেলগাঁওয়ে (Pahalgam) হিন্দু পর্যটকদের হত্যার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “ধর্মপরিচয় দেখে বিতান অধিকারী (Bitan Adhikari), সমীর গুহদের (Samir Guha) মেরে ফেলা হয়েছে। এমনকী, মুর্শিদাবাদের জাফরাবাদে বামপন্থী হলেও হিন্দু হওয়ায় প্রাণ হারিয়েছেন মৃৎশিল্পী হরগোবিন্দ দাস এবং তাঁর পুত্র।”
এদিন রাজ্যের বিদ্যুৎ নীতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন শুভেন্দু। স্মার্ট মিটার বসানো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মধ্যবিত্তদের পকেট কেটে টাকা তুলতে চাইছে এই ভিখারি সরকার। বসিরহাটে বিক্ষোভ হচ্ছে, কারণ স্মার্ট মিটার ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়।”
তাঁর কথায়, “আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমাদের সরকার এলে বাংলাতেও উত্তর প্রদেশ, অসমের মতো দৃশ্য দেখা যাবে। মায়েরা বোনেরা ৫০০ – ১০০০এর কাছে শাঁখা পলা বিসর্জন দেবেন না। যেদিন বিজেপি আসবে, তার পরের মাসে ৩ হাজার করে ঢোকাবো।
ভোটের মুখে শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে ফের একবার উত্তাপ বাড়ল রাজ্য রাজনীতিতে। সন্দেশখালির হিংসা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি যে হিন্দু ভোটকে একত্রিত করে ভোটের ময়দানে নামতে চাইছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল এই বক্তব্যে।