করোনাভাইরাস
তীব্র ঊর্ধ্বমুখী কোভিড গ্রাফ, কেন্দ্র জানাল বাড়ছে সক্রিয় সংক্রমণ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের একবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনাভাইরাস (COVID-19)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Ministry) সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, শনিবার দেশের সক্রিয় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৩৯৫। যা গত দুই বছরের মধ্যে এক নতুন রেকর্ড। সর্বশেষ ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে একবার এই সংখ্যা তিন হাজার অতিক্রম করেছিল।
সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের হদিস মিলেছে কেরলে (Kerala)। সেখানে মোট অ্যাকটিভ কেস ১,৩৩৬। এরপরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র (Maharashtra) – ৪৬৭ জন এবং রাজধানী দিল্লি (Delhi) – ৩৭৫ জন। এছাড়া গুজরাটে (Gujarat) ২৬৫ জন, কর্ণাটকে (Karnataka) ২৩৪ জন, পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ২০৫ জন, তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu) ১৮৫ জন এবং উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) ১১৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ কালীগঞ্জে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা, তৃণমূলের প্রয়াত বিধায়কের কন্যার বিরুদ্ধে লড়াই
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৬৮৫ জন, মারা গেছেন মোট চারজন – দিল্লি, কেরল, কর্ণাটক এবং উত্তরপ্রদেশে একজন করে।
এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ ২২ মে দেশে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫৭। কিন্তু ২৬ মে তা বেড়ে হয় ১,০১০ এবং শনিবার তা দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে দাঁড়ায় ৩,৩৯৫ জনে।
এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)-এর ডিরেক্টর জেনারেল ডঃ রাজীব বেহল (Dr. Rajiv Bahl) জানিয়েছেন, “আমরা গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছি। এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে আমাদের সতর্ক এবং সচেতন থাকা জরুরি।”
ওয়ার্ল্ডোমিটার (Worldometer) নামের কোভিড-১৯ ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম অনুসারে, ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল শেষবার দেশে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যা ৩ হাজারের গণ্ডি পেরিয়েছিল। তখন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩,০৮৪।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড সংক্রমণ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হলেও এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তবে জনসাধারণকে উপসর্গ দেখা দিলে অবিলম্বে পরীক্ষা করানো এবং ভিড় এড়িয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
