আজ উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী, যোগ দেবেন বাণিজ্য সম্মেলনে, রয়েছে একাধিক কর্মসূচি
Connect with us

উত্তর দিনাজপুর

আজ উত্তরবঙ্গ সফরে মুখ্যমন্ত্রী, যোগ দেবেন বাণিজ্য সম্মেলনে, রয়েছে একাধিক কর্মসূচি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ তিন দিনের সরকারি সফরে আজ উত্তরবঙ্গে পৌঁছালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবার সকালে কলকাতা থেকে উড়ে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সেখান থেকে সোজা যান শিলিগুড়ির দীনবন্ধু মঞ্চে, যেখানে আয়োজিত হচ্ছে ‘সিনার্জি’ (Synergy) নামে রাজ্য সরকারের এক বিশেষ শিল্প সম্মেলন। চা, পর্যটন, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র-উদ্যোগ খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

সফরের প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি বৈঠকে বসছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শিল্পপতি এবং বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে। রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, শিল্পবান্ধব নীতি এবং উদীয়মান শিল্পক্ষেত্রগুলিতে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হবে এই বৈঠকে। সেইসঙ্গে উদ্যোক্তাদের সমস্যার কথাও শোনা হবে।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষা দুর্নীতিতে ধৃত অর্পিতা ফ্ল্যাট সংস্কারে ব্যস্ত, টাকার উৎস নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শিলিগুড়ির ভিডিওকন গ্রাউন্ডে এক বড় জনকল্যাণমূলক সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। কোচবিহার (Cooch Behar), আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) এবং জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মানুষদের হাতে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তুলে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে কয়েকটি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসেরও পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement
ads

বুধবার সফরের শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী উত্তরকন্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন। উত্তরবঙ্গের আটটি জেলার মধ্যে ছ’টি জেলার জেলা শাসকরা সরাসরি বৈঠকে অংশ নেবেন। মালদা (Malda) এবং দুই দিনাজপুর (Dinajpur) জেলার প্রতিনিধিরা থাকবেন ভার্চুয়াল মাধ্যমে।

যদিও এই সফর প্রশাসনিক তকমা পেলেও রাজনৈতিক মহলে তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) উত্তরবঙ্গে সংগঠন জোরদার করার পরিকল্পনায় নেমে পড়েছে। ২০১৯ সালে কোচবিহার ছাড়া বাকি সাতটি লোকসভা আসনে হেরেছিল তৃণমূল। তবে পরবর্তী সময়ে উপনির্বাচন ও গ্রামীণ স্তরে সংগঠন বিস্তারের ফলে দলে আত্মবিশ্বাস ফিরেছে।

তাই মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর কেবল উন্নয়ন নয়, রাজনৈতিক বার্তাও বহন করছে বলে মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের। উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলা প্রশাসন ও জনতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের এই প্রয়াস আগামী নির্বাচনের আগে শাসক দলের রণকৌশলের অংশ বলেই মনে করছেন অনেকেই।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement