ভাইরাল খবর
দশকের ভয়াবহতম বিমান বিপর্যয়: ৩০০০ ফ্লাইট বাতিল, রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার ক্রমবর্ধমান সংঘাতের (Conflicts) জেরে বিশ্বজুড়ে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিমান-বিপর্যয় (Aviation Disruptions) দেখা দিয়েছে। রবিবার থেকে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশ তাদের আকাশপথ (Airspace) সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়ায় ৩,০০০-এর বেশি ফ্লাইট বাতিল (Flights Cancelled) হয়েছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক লক্ষ আন্তর্জাতিক যাত্রী।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে সকালে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (Dubai International Airport) মিসাইল ও ড্রোন আছড়ে পড়ায়। যদিও দুবাই প্রশাসন জানিয়েছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defense System) সফলভাবে হামলা প্রতিহত করেছে, তবুও নিরাপত্তার খাতিরে দুবাই, দোহা ও আবুধাবি হাবগুলি কার্যত অচল। এয়ার ইন্ডিয়া (Air India), ইন্ডিগো (IndiGo) এবং কাতার এয়ারওয়েজ তাদের পরিষেবা স্থগিত রাখার সময়সীমা বাড়িয়েছে। ইন্ডিগো গত চার দিনে ১,০০০-এর বেশি উড়ান বাতিল করায় কেন্দ্রীয় সরকার তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের (Investigation) নির্দেশ দিয়েছে।
যাত্রীদের অধিকার ও রিফান্ড (Refund): এই বিশৃঙ্খলার মধ্যে যাত্রীদের স্বস্তি দিতে ইন্ডিগো তাদের ‘প্ল্যান বি’ (Plan B) সক্রিয় করেছে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা বিনা খরচে পুনরায় বুকিং (Rebooking) অথবা সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পেতে পারেন। ডিজিসিএ (DGCA) নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো বিমান সংস্থা যাত্রা শুরুর তিন ঘণ্টা আগে যাত্রীকে অবহিত না করে, তবে যাত্রী ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত নগদ ক্ষতিপূরণ (Compensation) দাবি করতে পারেন। এছাড়া বিমানবন্দরে দীর্ঘ অপেক্ষার ক্ষেত্রে খাবার ও হোটেলের সুবিধা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আকাশপথ খুললেও পরিষেবা স্বাভাবিক হতে আরও বেশ কয়েক দিন সময় লাগবে। কারণ হিসেবে বিমান ও ক্রু পুনর্বিন্যাস (Crew Realignment) এবং বিশাল ব্যাকলগ সামলানোকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। আপাতত ৫ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত বিশ্বের অধিকাংশ নামী বিমান সংস্থা মধ্যপ্রাচ্যগামী সমস্ত উড়ান স্থগিত রেখেছে।
