কেন মাটি খুঁড়ছেন এই গ্রামের মানুষ? কি আছে মাটির নীচে? পড়ুন
Connect with us

বিশ্বের খবর

কেন মাটি খুঁড়ছেন এই গ্রামের মানুষ? কি আছে মাটির নীচে? পড়ুন

Dipa Chakraborty

Published

on

নিউজ ডেস্ক, ২১ জুন : মাটি খুঁড়তে গিয়ে হঠাৎ অচেনা পাথর হাতে পড়েছিল এক পশুপালকের। পাথরটি ঠিক কী তিনি বুঝতে পারছিলেন না। তবে এরকম উজ্জ্বল পাথর আগে কখনও দেখেননি। সূর্যের আলো পড়লেই যেন জ্যোতি ঠিকরে পড়ছে তার চারপাশ থেকে।

ঠিক যেন হিরের মতো! ওই পশুপালকের এমন পাথর আবিষ্কারের ঘটনা সামনে আসার পর অবাক কাণ্ড৷ বড়লোক হতে মাটি খোঁড়ার যন্ত্র নিয়ে হুড়মুড়িয়ে দলে দলে লোকজন ছুটছেন সেই জায়গায়। শ’য়ে শ’য়ে লোকজনের এই হুল্লোড় নিমেষে নজর কেড়েছে গোটা সারা বিশ্বের। সত্যিই ওই এলাকার মাটির নীচে হিরে রয়েছে কি না তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধন্দ। দক্ষিণ আফ্রিকার খালাথি গ্রামের ওই আশ্চর্যজনক ঘটনায় হতবাক সকলেই। ওই গ্রামে একটি বিস্তৃত ফাঁকা মাঠ রয়েছে। সেই মাঠে সচরাচর মানুষের যাতায়াত নেই।মূলত গৃহপালিত পশুদের চারণক্ষেত্রই হয়ে উঠেছিল ওই এলাকা। সম্প্রতি সেখান থেকেই মাটি খুঁড়ে ওই অচেনা উজ্জ্বল পাথরের খোঁজ মেলে।এই খবর ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ’য়ে শ’য়ে লোক ওই পাথরের খোঁজে শহরে আসতে শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন মাটি খোঁড়ার নানা যন্ত্রও। তাঁদের বিশ্বাস ওই এলাকায় মাটির নীচে হিরে লুকিয়ে রয়েছে। কিন্তু মাটি খুঁড়ে কোয়ার্জ ছাড়া আর কিছুর সন্ধান এখনও মেলেনি। আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার দক্ষিণ আফ্রিকায়। দেশের বেশির ভাগ পরিবারই দরিদ্র সীমার নীচে। সে কারণেই এই আবিষ্কারের কথা জানতে পেরে বহু মানুষ ছুটে গিয়েছেন ওই এলাকায়। তাঁদের অনেকেই নানা রকম দেখতে পাথরও উদ্ধার করেছেন। ওই অঞ্চলে ঘাঁটি ফেলে মাটি খোঁড়ার কাজ শুরু করেছে একাধিক হিরে উত্তোলক সংস্থাও। কিন্তু সত্যিই সেখানে হিরে পাওয়া গিয়েছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূতত্ত্ববিদদের একটি দল পাঠানো হয়েছে সেখানে।যত দ্রুত সম্ভব ওই এলাকা খালি করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। তার পরই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারবেন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ধার হওয়া পাথরগুলি হিরেরই ভিন্ন রূপ কি না তা জানা যাবে।তার উপর করোনাকালে এত লোকের জমায়েতও উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের।

Continue Reading
Advertisement