ফের শিক্ষাঙ্গনে কেলেঙ্কারি! কাকদ্বীপ কলেজে ইউনিয়ন রুমে মাসাজ কাণ্ডে শোরগোল
Connect with us

রাজনীতি

ফের শিক্ষাঙ্গনে কেলেঙ্কারি! কাকদ্বীপ কলেজে ইউনিয়ন রুমে মাসাজ কাণ্ডে শোরগোল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সোনারপুর কলেজের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শিক্ষাঙ্গনে লজ্জার ছবি! এবার কাকদ্বীপের সুন্দরবন মহাবিদ্যালয় (Sundarban Mahavidyalaya)। কলেজের ইউনিয়ন রুমে মেঝেতে বিছানা পেতে, বালিশে মাথা রেখে মাসাজ নিচ্ছেন এক যুবক— এমন ছবি ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে প্রবল রাজনৈতিক চাপানউতোর।

ঘটনায় অভিযুক্ত বহিরাগত যুবক দেবজ্যোতি পাল নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে, মাসাজ চলছিল। তবে তাঁর দাবি, “খেলার সময় পিঠে চোট লেগেছিল। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছিল, ভিজে না গিয়ে ইউনিয়ন রুমে ঢুকে মাসাজ নিই। রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।”

তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছে বিরোধী ছাত্র সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ABVP এবং DYFI-এর অভিযোগ, “শাসকদলের মদতেই এমন ঘটনা ঘটছে। কলেজগুলিকে পরিকল্পিতভাবে বেহাল করে ফেলা হচ্ছে।”

আরও পড়ুনঃ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ শুভেন্দুর, তোলপাড় রাজনীতি

Advertisement
ads

ABVP নেতা ও প্রাক্তন ছাত্রের মন্তব্য, “প্রথম বর্ষ থেকেই ছাত্ররা এসব দেখে বড় হচ্ছে। বহিরাগত অবাধে কলেজে ঢুকছে, বেরোচ্ছে, আর প্রিন্সিপাল তা জানেন। কিন্তু কিছু বলছেন না, কারণ তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে।”

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই সোনারপুর মহাবিদ্যালয়ে একইরকম বিতর্ক তৈরি হয়। সেখানে তৃণমূল যুব নেতা প্রতীক কুমার দের বিরুদ্ধে ছাত্রী দিয়ে মাসাজ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় কাউন্সিলর পাপিয়া হালদার দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ভিডিও সহ অভিযোগ জানালেও কোনও ব্যবস্থার বদলে অভিযুক্ত নেতার “পদোন্নতি” হয়েছে বলেই দাবি তাঁর।

এ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্র বলেন, “যদি ঘটনাটি সত্যি হয়, তা কাম্য নয়। দল কখনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেব। তবে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে, যা দলকে জানানো হয়েছে।”

কলেজ চত্বরে লাগাতার এমন ঘটনা শিক্ষাক্ষেত্রের ভাবমূর্তিকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অভিভাবক মহলও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে।
শিক্ষাঙ্গনে বারবার এমন অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে “zero tolerance policy” দাবি করে কড়া পদক্ষেপের দাবি উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement