ভাইরাল খবর
মহেশতলায় গোষ্ঠী সংঘর্ষে আক্রান্ত পুলিশ, কড়া বার্তা ডায়মন্ড হারবারের এসপি-র
ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবারের (Wednesday) দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মহেশতলা (Maheshtala)। সেই ঘটনায় আক্রান্ত হয় পুলিশও। অভিযোগ, পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে উন্মত্ত জনতার (Mob) পাথরের আঘাতে জখম হন একাধিক পুলিশ কর্মী। বুধবার রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত ছিল ওই এলাকা। বৃহস্পতিবার (Thursday) সকালেই সাংবাদিক বৈঠক (Press Meet) করে গোটা ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) পুলিশ জেলার এসপি।
পুলিশের দাবি, সংঘর্ষের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ড হারবারের এসপি (SP, Diamond Harbour) জানান, “যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই পুলিশ অ্যাকশন নিয়েছে। একদিকে বাড়াবাড়ি করা হয়নি, আবার বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখাও হয়নি।” তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় তিনটি মামলা রুজু (FIR Filed) করা হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত মোট 40 জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও গ্রেফতারি হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বর্তমানে ওই এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita) ১৬৩ নম্বর ধারা জারি রয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এলাকায় ১০টি পিকেট (Police Pickett) বসানো হয়েছে। এসপি-র কড়া বার্তা, “কোনও ধর্মীয় উস্কানি (Religious Provocation) বরদাস্ত করা হবে না।” তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, একদিনের ঘটনা বলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তদন্ত চলছে, এবং আরও এফআইআর (FIR) দায়ের হতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দোকান এবং বাড়িতে হামলা চালানো হয়। পুলিশের উপর ব্যাপক পাথর ছোড়া হয়। সংঘর্ষের সময় উপস্থিত ছিল মহিলারাও।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনায় বজবজ থানার পুলিশ (Budge Budge Police) বিপুল পরিমাণে বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি ধৃতদের মধ্যে একজন আরএসএস (RSS) কর্মী রয়েছেন বলে জানায় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ধর্মীয় উস্কানি এবং সহিংসতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য-রাজনীতি ফের উত্তাল। শাসক-বিরোধী তরজা চরমে উঠেছে। পুলিশের দাবি, কোনওভাবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে দেওয়া হবে না। এলাকায় টহলদারি চলছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আশ্বাস দিয়েছেন এসপি।
