‘নাগ’-এর নিখুঁত আঘাতে ছারখার শত্রুর ট্যাঙ্ক! ভারতীয় প্রযুক্তিতে ইতিহাস গড়ল DRDO
Connect with us

দেশের খবর

‘নাগ’-এর নিখুঁত আঘাতে ছারখার শত্রুর ট্যাঙ্ক! ভারতীয় প্রযুক্তিতে ইতিহাস গড়ল DRDO

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নতুন চমক নিয়ে এল ভারতীয় সেনা। এবার হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক (Lightweight Tank) থেকেই সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা হল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক নাগ এমকে ২ (Nag Mk2) ক্ষেপণাস্ত্র। এই সফল পরীক্ষা শুধু ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির (Defence Technology) অগ্রগতিকেই তুলে ধরে না, বরং যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রু পক্ষের আধুনিক ট্যাঙ্ক ধ্বংসে এক কার্যকরী সমাধান হিসেবেও উঠে এল।

এই মিসাইলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল, এটি পাঁচ কিলোমিটার (5 KM) দূরত্বে থাকা লক্ষ্যবস্তু (Target) নিখুঁতভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম। হালকা ওজনের একটি ট্যাঙ্ক থেকে উৎক্ষেপণ করে অত্যন্ত সফলভাবে নির্ধারিত টার্গেটে আঘাত হানে এই ক্ষেপণাস্ত্র। প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও (DRDO)-র তৈরি নকশায় এই হালকা ট্যাঙ্কটি নির্মাণ করেছে লার্সন অ্যান্ড টুব্রো (L&T)

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে জটিল অপারেশনের জন্য ‘নাগ এমকে ২’ হয়ে উঠতে পারে ভারতীয় সেনার এক প্রধান অস্ত্র। কারণ, এই মিসাইলটি কেবলমাত্র আধুনিক ট্যাঙ্ক নয়, বরং যেকোনো ধরনের সাঁজোয়া যান (Armoured Vehicle) ধ্বংস করতে সক্ষম। এর নির্ভুল নিশানা (Precision Targeting)উচ্চ আক্রমণ-ক্ষমতা (High Strike Capability) একে অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অনেক এগিয়ে রাখছে।

‘নাগ’-এর আরও একটি বড় সুবিধা হল, এটি খুব সহজে স্থাপনযোগ্য (Easily Deployable) এবং বহনযোগ্য (Portable)। যুদ্ধক্ষেত্রের যে কোনও পরিস্থিতিতে এটি দ্রুত মোতায়েন করা সম্ভব। এমনকি প্রতিকূল পরিবেশেও জটিলতা ছাড়াই লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই অস্ত্র।

Advertisement
ads

সফল পরীক্ষার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সেনাবাহিনী ও ডিআরডিও-কে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আজ এক গর্বের মুহূর্ত।”

Advertisement
ads

উল্লেখযোগ্যভাবে, অতীতেও ভারতের তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ‘আকাশ (Akash)’ অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের একের পর এক ড্রোন (Drone), মিসাইল (Missile) ও যুদ্ধবিমান (Fighter Aircraft) মাঝ আকাশেই ধ্বংস করেছিল। সেই তালিকায় এবার যোগ হল ‘নাগ এমকে ২’—যার নিখুঁত আঘাতে শত্রু দেশের মেরুদণ্ডে শীতল স্রোত বইতে বাধ্য।

Continue Reading
Advertisement