হামলা
পাকিস্তানে বন্দি বিএসএফ জওয়ান, পূর্ণমকুমার সাউকে নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি
ডিজিটাল ডেস্কঃ কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর দেশব্যাপী উত্তেজনা বেড়ে চলেছে, সেই সময়ে আরেকটি দুঃসংবাদ সামনে এসেছে—ভারতীয় বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউ পাকিস্তানে বন্দি। হুগলির রিষড়ার বাসিন্দা পূর্ণমকুমার সাউ বুধবার ভুলক্রমে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যান, তারপরই তাঁকে আটক করে পাকিস্তানি সেনা। এই ঘটনায় তাঁর পরিবারসহ গোটা দেশ উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়েছে।
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি শ্রীরামপুরের প্রতিনিধিত্ব করেন, অবিলম্বে বিএসএফের ডিজি’র সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “পাকিস্তানে বন্দি বিএসএফ জওয়ান পূর্ণমকুমার সাউয়ের বিষয়ে আমি বিএসএফ ডিজি’র সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা জানিয়েছেন যে ভারতীয় প্রশাসনিক মহল থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করা হচ্ছে তাঁকে ফিরিয়ে আনার জন্য। যদিও পাকিস্তান কিছুটা সময় নিচ্ছে, তবে জওয়ানকে ফিরিয়ে আনা হবে, এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো।”
আরও পড়ুনঃ পহেলগাঁও হামলার পর হিমশিম পাক সরকার, নিজের দেশেই ট্রোলের শিকার শাহবাজ প্রশাসন
জানা গেছে, পূর্ণমকুমার সাউ পাঞ্জাবের ফিরোজপুর সেক্টরে পোস্টেড ছিলেন এবং এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বিকেলে। সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে যাওয়ার পর তাঁকে পাকিস্তানি সেনারা আটক করে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই, তাঁর পরিবার এবং দেশবাসী গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।
পূর্ণমকুমার সাউয়ের পরিবারে, বিশেষত তাঁর স্ত্রী রজনী সাউ ও মা দেবন্তি দেবী, যখন খবরটি জানতে পারেন, তখন তাঁরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শনিবার, হুগলি জেলা তৃণমূল এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা বিএসএফ জওয়ানের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন।
এছাড়াও, বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বিএসএফ জওয়ানের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে, ভারতীয় প্রশাসন এবং গোটা দেশ পূর্ণমকুমার সাউয়ের দ্রুত ফেরার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
