চেয়ার ছোড়াছুড়ি, হাতাহাতি! নিউটাউনের শিবিরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল
Connect with us

রাজনীতি

চেয়ার ছোড়াছুড়ি, হাতাহাতি! নিউটাউনের শিবিরে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: নিউটাউনের পাথরঘাটা পঞ্চায়েতের লস্করআটি বাজারে এক রক্তদান শিবির ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। তাঁর সামনেই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি, এমনকি চেয়ার ছোড়াছুড়ি পর্যন্ত ঘটে যায় বলে স্থানীয় সূত্রের খবর।

জানা গিয়েছে, সব্যসাচী ঘনিষ্ঠ বাহার আলী লস্করের অনুগামীদের সঙ্গে দলের ‘কালো’ নামে পরিচিত অপর গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয় একপ্রকার তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে। মুহূর্তের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শিবিরে উপস্থিত সাধারণ মানুষজন আতঙ্কে ছুটোছুটি শুরু করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে দেখে নিজে মঞ্চে উঠে দুই পক্ষের নেতাদের একত্রে হাত মেলানোর আহ্বান জানান সব্যসাচী দত্ত। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন—এই ধরনের মানবিক কর্মসূচিতে দলীয় বিভেদ বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং অনুষ্ঠানও ফের স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসে।

Advertisement
ads

তবে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শাসক দলের একাংশ গোষ্ঠীকোন্দলের অভিযোগ নস্যাৎ করেছে। তাঁদের দাবি, “গেট ছোট ছিল, অনেক মানুষ একসঙ্গে ঢুকতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা হয়েছে মাত্র। কোনও গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়নি।” তবুও রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, সব্যসাচীর উপস্থিতি না থাকলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেত।

এদিকে, একইদিন বর্ধমানের রসিকপুর এলাকাতেও তৃণমূলের দুই যুব গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। প্রাক্তন যুব সভাপতির বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে ফের চাপে শাসক দল। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব একে ‘পাড়ার অশান্তি’ বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বারবার প্রকাশ্যে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে জনমানস। বিশেষত সামাজিক অনুষ্ঠানেও যদি বিভেদ ঢুকে পড়ে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় সংকট তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement