খুন
দীপাবলির রাতে রক্তাক্ত শিশুদেহ, খুনের অভিযোগে আটক দাদু-দিদা ও পরিচারিকা
ডিজিটাল ডেস্কঃ আলোর উৎসবের (Festival of Lights) মাঝেই ঘনালো ঘোর অন্ধকার! সোনারপুরে (Sonarpur) এক বাড়ি থেকে উদ্ধার হল চার বছরের এক শিশুকন্যার রক্তাক্ত দেহ। মৃত শিশুর শরীরজুড়ে একাধিক ক্ষতচিহ্ন (Injury Marks), যা প্রাথমিকভাবে খুনের (Murder) দিকেই ইঙ্গিত করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে। কোদালিয়ার (Kodalya) কদমতলার (Kadmitala) একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ওই শিশুর নিথর দেহ। মৃত শিশুর নাম প্রত্যুষা কর্মকার (Pratyusha Karmakar)।
জানা গেছে, প্রত্যুষার বাবা একজন হাসপাতালের (Hospital) কর্মী এবং মা এক নামী ইলেকট্রিক বিপণিতে (Electric Showroom) চাকরি করেন। প্রতিদিনের মতো রবিবারও তাঁরা দুজনেই সকালে কাজে বেরিয়ে যান। ছোট্ট প্রত্যুষা ছিল তার দাদু-দিদার (Grandparents) কাছে।
রবিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই বদলে যায় রোজকার সেই চিত্র। স্থানীয় বাসিন্দাদের (Local Residents) দাবি, তাঁরা আচমকা বাড়ির ভিতর থেকে চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। ছুটে গিয়ে দেখেন, প্রত্যুষার নিথর দেহ পড়ে আছে ঘরের মেঝেতে, চারপাশে ছড়ানো রক্ত!
তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে খবর দেন সোনারপুর থানায়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে সোনারপুর গ্রামীণ হাসপাতালে (Sonarpur Rural Hospital) নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় ঘরে উপস্থিত ছিলেন শিশুটির দাদু, দিদা এবং পরিচারিকা (Housemaid)। ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও প্রত্যুষার শরীরের আঘাত দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত খুন হতে পারে।
তদন্তের স্বার্থে ওই তিনজনকে আটক (Detained) করা হয়েছে এবং মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তে (Post-mortem)। সোমবার এই ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়া, তদন্তকে প্রভাবমুক্ত রাখতে ওই বাড়িটি সিল (Sealed) করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যুর (Unnatural Death) মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে সোনারপুর থানা।
এখনও পর্যন্ত শিশুটির মা-বাবা কোনও প্রতিক্রিয়া (Reaction) দেননি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগোচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


