ভাইরাল খবর
সুযোগ থাকা সত্ত্বেও দায়িত্বে অবিচল, বাবার শোক সত্ত্বেও কাজ চালাচ্ছেন বিএলও
ডিজিটাল ডেস্কঃ এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরই যুবক বিএলও (BLO) বিরাজকুমার সরকার বাবাকে হারিয়েছেন। কিন্তু দুঃখকে নিজের কাঁধে নিয়ে দায়িত্ব (responsibility) থেকে এক মুহূর্তও সরে আসেননি। জলপাইগুড়ির নন্দনপুর বোয়ালমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭/২১৯ বুথে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়ের (school) প্রাথমিক শিক্ষক বিরাজবাবু তার পরিবারগত বিপর্যয় থাকা সত্ত্বেও সকালের শুরু থেকে রাত পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি ছুটে বেড়াচ্ছেন।
দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি (relief) পাওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি তা নেননি। প্রশাসনের আধিকারিকরা (officials) তার কাজে সহায়তা (support) করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার প্রতিশ্রুতি (commitment) ও ধৈর্য (patience) স্থানীয় প্রশাসনকেও (local administration) অবাক করেছে।
বিরাজবাবুর বাবা কয়েক দিন আগে মারা গেছেন। তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া (funeral rites) শেষ করে তিনি কাজের মধ্যে ফিরে এসেছেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক বিএলও কাজের চাপ ও মানসিক চাপের কারণে নিজেকে কঠিন অবস্থায় পেয়েছেন। কিন্তু বিরাজবাবুর ঘটনা সম্পূর্ণ ভিন্ন।
এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেন, “বাবাকে হারানোর দুঃখের ভাগ আমরা নিতে পারব না। তবে আমরা সমবেদনা (condolence) জানিয়েছি। এই পরিস্থিতিতেও উনি দায়িত্ব পালন করছেন। উনাকে আমরা স্যালুট জানাই। আমরা যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত।”
বিরাজবাবু নিজে বলেছেন, “এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর বাবা মারা যান। কিছু অসুবিধা অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু দায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসন সাহায্য করেছে। আশা করছি সময়মতো সব কাজ সম্পন্ন করতে পারব।”
এই উদাহরণ (example) স্থানীয় প্রশাসনের জন্য অনুপ্রেরণা (inspiration) হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


