তারাতলা বিপর্যয় থেকে শিক্ষা! ১ মাস বন্ধ G+5 বাণিজ্যিক নির্মাণ, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
Connect with us

ভাইরাল খবর

তারাতলা বিপর্যয় থেকে শিক্ষা! ১ মাস বন্ধ G+5 বাণিজ্যিক নির্মাণ, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ গার্ডেনরিচ এবং তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের (Warehouse Collapse) মতো মর্মান্তিক বিপর্যয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নজিরবিহীন কড়া পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মানুষের জীবনের মূল্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কলকাতা এবং শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকায় আগামী ১ মাসের জন্য সমস্ত ‘জি+৫’ (G+5) বা তার বেশি উচ্চতার বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) শুভেন্দু অধিকারী। পিডব্লিউডি (PWD) টেন্টে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে (High-level Meeting) এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে একটি ১১ সদস্যের বিশেষজ্ঞ অডিট কমিটি (Audit Committee) সমস্ত নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক প্রকল্পের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করবে। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব (Additional Chief Secretary) রাজেশ পাণ্ডের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটিতে আইআইটি খড়্গপুর (IIT Kharagpur) এবং ‘রাইটস’ (RITES)-এর মতো নামী সংস্থাকে যুক্ত করা হয়েছে। তদন্তে যদি বিল্ডিংয়ের নকশায় বড়সড় ত্রুটি (Major Flaws) বা দুর্নীতি ধরা পড়ে, তবে সংশ্লিষ্ট বিল্ডিং প্ল্যান সরাসরি বাতিল (Cancelled) করা হবে। তবে সামান্য ত্রুটির ক্ষেত্রে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। অডিটের ছাড়পত্র (Clearance) মিললে আগামী ১ অগস্ট থেকে ফের কাজ শুরু করা যাবে। তারাতলার ঘটনার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই সেখানকার আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনারকে ব্ল্যাকলিস্ট (Blacklisted) করা হয়েছে।

আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত কলকাতা পুরনিগম, বিধাননগর, রাজারহাট-নিউটাউন, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর, বালি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা, বারুইপুর, রাজপুর-সোনারপুর ও পূজালির মতো এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। তবে সাধারণ মানুষের বসতবাড়ির সংস্কার বা মেরামতির কাজ (Residential Renovation) এই নিয়মের বাইরে থাকবে। অডিট কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে নকশা পরীক্ষার প্রাথমিক রিপোর্ট (Preliminary Report) এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ফায়ার সেফটি (Fire Safety) ও ইলেকট্রিক্যাল অডিট রিপোর্ট জমা দিতে হবে। দুর্নীতি দমনে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিয়েছেন, বিল্ডিং প্ল্যান পাসের নামে কেউ কাটমানি বা ঘুষ চাইলে সাধারণ মানুষ যেন ভয় না পেয়ে সরাসরি স্থানীয় থানায় এফআইআর (FIR) দায়ের করেন।