বাবার পর এবার মেয়ের কীর্তি! ১ বছরে ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি, কাঠগড়ায় জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা
Connect with us

রাজনীতি

বাবার পর এবার মেয়ের কীর্তি! ১ বছরে ক্যান্টিনের বিল ১ কোটি, কাঠগড়ায় জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পর এবার শিরোনামে এলেন তাঁর কন্যা প্রিয়দর্শিনী মল্লিক (Priyadarshini Mallick)। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদ্য প্রাক্তন সচিব (Former Secretary) পদে থাকাকালীন তাঁর আমলের বিপুল খরচের একটি খতিয়ান সামনে আসতেই প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অভিযোগ, গত আর্থিক বছরে (Financial Year) সংসদের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বৈঠকের নামে শুধুমাত্র ক্যান্টিনের বিলই করা হয়েছে ১ কোটি টাকারও বেশি! এত বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে খরচ হলো, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ (Written Complaint) জমা পড়েছে।

সূত্রের খবর, ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রিয়দর্শিনী মল্লিককে এই পদে আনা হয়েছিল। তাঁর আমলেই সংসদের একাধিক অনুষ্ঠানের খাবারের দায়িত্ব একটি নির্দিষ্ট ক্যান্টিন সংস্থাকে দেওয়া হয়। এই বিপুল খরচ ও টেন্ডার প্রক্রিয়ার (Tender Process) প্রাথমিক অসঙ্গতি নিয়ে মুখ খুলেছেন সংসদের তৎকালীন সভাপতি (Former President) চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তিনি দাবি করেন, “এত টাকার বিল নিয়ে আমি নিজেও নিশ্চিত ছিলাম না। বিষয়টি নিয়ে ফিন্যান্স অফিসারের (Finance Officer) সঙ্গে কথা বলে চিন্তিত হয়েই নতুন করে টেন্ডার ডাকা হয়েছিল।” তদন্ত হলে তিনি কমিটিকে সব সত্যি জানাবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত আর্থিক অনিয়মের (Financial Irregularities) অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রিয়দর্শিনী। পালটা দায় চাপিয়ে তিনি জানান, সংসদের সর্বোচ্চ পদাধিকারী হলেন সভাপতি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (Final Decision) তিনিই নিতেন। চুক্তির কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই একটি সংস্থাকে আগে থেকে বরাত দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারী সরকার (Government) ক্ষমতায় আসার পরেই মে মাসে প্রিয়দর্শিনীকে সচিব পদ থেকে অব্যাহতি (Relieved) দিয়ে আশুতোষ কলেজের মাইক্রোবায়োলজির সহকারী অধ্যাপক (Assistant Professor) হিসেবে তাঁর পুরনো কর্মস্থলে ফেরত পাঠানো হয়। বাবার পর এবার মেয়ের এই ক্যান্টিন কেলেঙ্কারির অভিযোগের জল কতদূর গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর সবার।

Continue Reading
Advertisement ads