মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার ২৪ ঘণ্টায় অ্যাকশন! তামান্না হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ২ মূল অভিযুক্ত
Connect with us

ভাইরাল খবর

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার ২৪ ঘণ্টায় অ্যাকশন! তামান্না হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আরও ২ মূল অভিযুক্ত

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বার্তার পরই তামান্না খাতুন হত্যা মামলায় (Murder Case) দ্রুত পদক্ষেপ নিল পুলিশ। নদিয়ার কালীগঞ্জে ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় নিহত চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামান্না খাতুনের খুনের মামলায় আরও দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশেষ তল্লাশি অভিযান (Search Operation) চালিয়ে সাবির শেখ ও জিয়ারুল শেখকে আটক করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ধৃতদের আদালতে (Court) পেশ করা হবে এবং পুলিশ হেফাজতের (Police Custody) আবেদন জানানো হবে। এই দুই গ্রেপ্তারের ফলে তামান্না হত্যা মামলায় মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩।

উল্লেখ্য, গত বছর ২৩ জুন উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার পর কালীগঞ্জে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিল (Victory Rally) থেকে বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় মাত্র ৯ বছরের তামান্না খাতুনের। ঘটনাটি রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

মঙ্গলবার বিধানসভায় (Assembly) এই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তামান্নার পরিবার ন্যায়বিচার (Justice) পাবে। তিনি জানান, রামপুরহাট, হাঁসখালি, কসবা ল কলেজ, কামদুনি ও ধূপগুড়ির মতো ঘটনায় সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতি অনুসরণ করছে।

Advertisement
ads ads

একই দিনে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিন। মেয়ের মৃত্যুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিচার না মেলায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অভিযুক্তদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানান। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত পদক্ষেপের আশ্বাস দেন।

এরপরই পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে। রাতভর অভিযান চালিয়ে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা সাবির শেখ ও জিয়ারুল শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। তামান্নার মা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনেছেন এবং বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। দুই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আশা করছেন, মামলার বাকি অভিযুক্তদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। তামান্নার পরিবার এখন সুবিচারের আশায় অপেক্ষা করছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads