ভাইরাল খবর
সুখেন্দু-সুস্মিতা-প্রকাশের মনোনয়ন পেশ! সঙ্গে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু সহ পাঁচ মন্ত্রী
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যসভা (Rajya Sabha) উপনির্বাচনের (By-Election) জন্য সোমবার মনোনয়নপত্র (Nomination) জমা দিলেন বিজেপি (BJP) মনোনীত তিন প্রার্থী— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। বিধানসভায় (Assembly) মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Chief Minister Suvendu Adhikari), বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এবং পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।
এই তিন নেতাই সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। দলবদলের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁদের রাজ্যসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে তাঁরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন। বর্তমান বিধানসভার সংখ্যাতত্ত্ব (Numbers Game) অনুযায়ী বিজেপির ২০৭ জন বিধায়ক রয়েছেন, যা তিনটি আসনেই জয় নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের কাছে প্রয়োজনীয় সংখ্যা না থাকায় এই তিন প্রার্থীর জয় কার্যত নিশ্চিত বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুলাই মনোনয়নপত্র যাচাই (Scrutiny) হবে। ১৭ জুলাই পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকলে প্রার্থীদের জয়ী ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে ২৪ জুলাই ভোটগ্রহণ (Polling) অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, তিনি আগে রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। এবার বিজেপির প্রার্থী হিসেবে সেই শূন্য আসনের জন্যই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগে এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে সুস্মিতা দেব বলেন, তৃণমূলে থাকাকালীন তিনি মনোবল হারিয়ে ফেলেছিলেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর সেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। এবার রাজ্যসভা উপনির্বাচনে তাঁদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
