ভাইরাল খবর
সাংসদের বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর বৃষ্টি! সিসিটিভি ফুটেজ শেয়ার করে বিজেপিকে তোপ অভিষেকের
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের পর ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ সেকেন্ড ইন কম্যান্ড (Second-in-Command) তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ (MP) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার মারাত্মক অভিযোগ উঠল। মঙ্গলবার রাতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (X Handle) ১ মিনিট ২ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ ও ছবি শেয়ার করে বিজেপিকে তীব্র নিশানা করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, এক অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে হরিশ মুখার্জি রোডে তাঁর পরিবার থাকা বাড়িটি লক্ষ্য করে বড় পাথর ছোড়ে। এতে দোতলার জানালার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে।
Bengal is witnessing the complete normalisation of violence under @BJP4India’s GOONDA RAJ.
In the early hours of this morning, an individual arrived outside my family’s residence, stopped his bike and repeatedly hurled a large stone at my home, shattering the first floor… pic.twitter.com/7D9lve0cHS
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) June 30, 2026
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হেলমেট পরা এক যুবক বাইক থামিয়ে রাস্তায় পড়ে থাকা একটি বস্তু বা পাথর নিয়ে পর পর দু’বার অভিষেকের বাড়ি লক্ষ্য করে ছুড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিষেক লিখেছেন, “এটা শুধু আইনশৃঙ্খলার পতন (Law and Order Breakdown) নয়, এটা হিংসার বিপজ্জনক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ (Institutionalisation of Violence)। পুলিশ কোথায় ছিল? কার নির্দেশে এই দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়ে পার পেয়ে গেল?” সেই সঙ্গে সম্প্রতি পাশ হওয়া ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’ (Anti-Rowdy Bill) বিজেপি সমর্থিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। উল্লেখ্য, রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর অভিষেকের বাড়ি থেকে পুলিশি নিরাপত্তা (Security) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এর আগে সোনারপুরেও তিনি ডিম ও পাথর হামলার মুখে পড়েছিলেন।
এদিকে, দলে ভাঙন ও ক্ষোভ-বিক্ষোভের আবহে ভোটের ২ মাস পর অভিষেক চালু করেছেন ‘এক ডাকে অভিষেক’ হেল্পলাইন (Helpline)। নির্বাচন পরবর্তী হিংসায় (Post-poll Violence) আক্রান্ত ও মিথ্যা মামলায় জড়ানো কর্মীদের আইনি সহায়তার জন্য এই উদ্যোগ। তবে এই পদক্ষেপকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি অন্য দল। বিজেপির রাহুল সিনহা দাবি করেছেন, বিদেশে পালানোর ছক বানচাল হওয়াতেই কর্মীদের পাশে টানার এই ব্যর্থ চেষ্টা। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেছেন, চার্টার্ড ফ্লাইটের (Chartered Flight) টাকা আক্রান্ত কর্মীদের মামলার খরচে দিলে আরও বেশি লাভ হতো।
