তারাতলা দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! দিলেন কড়া তদন্তের নির্দেশ
Connect with us

দুর্ঘটনা

তারাতলা দুর্ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! দিলেন কড়া তদন্তের নির্দেশ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ তারাতলার (Taratala) নির্মীয়মাণ গুদাম (Godown) ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ চলাকালীনই ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার বিকেল প্রায় ৪টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তিনি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং উদ্ধার অভিযানের (Rescue Operation) অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমেই মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত মন্ত্রী, পুলিশ আধিকারিক এবং উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, নির্মাণকাজের দায়িত্বে কারা ছিলেন এবং এখনও কতজন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন তিনি। পরে নিজে ভেঙে পড়া কাঠামো ঘুরে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এখনও পর্যন্ত ২১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের দ্রুত এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনও ১২ থেকে ১৮ জন শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাঁদের উদ্ধারে সেনা (Army), এনডিআরএফ (NDRF), দমকল (Fire Services), পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে।

ব্রেসব্রিজ (Brace Bridge) সংলগ্ন বন্দরের (Port) লিজ নেওয়া জমিতে নির্মীয়মাণ ওই চায়ের গুদামে এদিন তিনতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই বিশাল লোহার কাঠামো ও ছাদ ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে শ্রমিকরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন। দুর্ঘটনার পর নবান্ন (Nabanna) থেকে সরাসরি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল। পাশাপাশি খোলা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম (Control Room)। হেল্পলাইন নম্বর হিসেবে চালু করা হয়েছে ১০৭০, ৮৬৯৭৯৮১০৭০, ০৩৩-২২১৪৩৫২৬ এবং ০৩৩-২২৫৩৫১৮৫।

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী (Construction Materials) ব্যবহার এবং নিরাপত্তা বিধি (Safety Protocol) উপেক্ষার কারণেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement
ads ads

 

এদিকে, এই দুর্ঘটনার পেছনে শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বের দুর্নীতি এবং কাটমানি (cutmoney) নেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই নিম্নমানের সামগ্রী (poor quality materials) দিয়ে এই বেআইনি নির্মাণ কাজ চলছিল। এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এবং নির্মাণকাজে কোনো রকম গাফিলতি রাজ্য সরকার কড়া হাতে দমন করবে। তিনি বলেন, “উদ্ধারকাজে কোনো অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না এবং তদন্ত করে দায়ীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads