ভাইরাল খবর
‘চার দশকের আনুগত্যের পুরস্কার’ বিতর্কের মাঝেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাচ্ছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার
ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক (Chief Whip) পদ হারানোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রে রয়েছেন বারাসতের সাংসদ ডা. কাকলি ঘোষদস্তিদার। এরই মধ্যে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে তাঁকে কেন্দ্রীয় সিআইএসএফ (CISF) নিরাপত্তা দেওয়াকে ঘিরে। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাচ্ছেন তিনি। আর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে কাকলির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার বিষয়টিকে মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই। ২০০৯ সাল থেকে টানা সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের পরিচিত মুখ। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। পাশাপাশি দিল্লির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও তাঁর যোগাযোগ যথেষ্ট পুরনো বলে জানা যায়।
গত ১৫ মে কালীঘাটে (Kalighat) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদদের বৈঠকের পর লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরানো হয় কাকলিকে। তাঁর পরিবর্তে ফের দায়িত্ব দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর সেই সিদ্ধান্তের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) একটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্ট করেন কাকলি ঘোষদস্তিদার।
নিজের ফেসবুক (Facebook) পেজে তিনি লেখেন, “৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।” যদিও ওই পোস্টে কারও নাম উল্লেখ করেননি তিনি। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পোস্ট যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ।
এদিকে বিতর্ক আরও বাড়ে কাকলির ছেলের একটি সামাজিক মাধ্যম পোস্টকে ঘিরে। কয়েকদিন আগেই তিনি দলের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন বলে অভিযোগ। ফলে সাংসদের সাম্প্রতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়।
এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। যদিও এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি ঘোষদস্তিদার। তিনি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, “জানা নেই, বলতে পারব না।” অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফেও এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


