ভোটের আগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে! খোদ হাত প্রার্থীই যোগ দিলেন তৃণমূলে
Connect with us

রাজনীতি

ভোটের আগে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে! খোদ হাত প্রার্থীই যোগ দিলেন তৃণমূলে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের দ্বিতীয় দফা বিধানসভা ভোটের (Bengal Elections 2026) প্রাক্কালে বড়সড় চমক দেখাল তৃণমূল কংগ্রেস। মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের মাত্র দুদিন আগে খোদ কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল মাজিদ হালদার ঘাসফুল শিবিরে যোগদান (Joining) করলেন। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তথা পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদের হাত ধরে তিনি  আনুষ্ঠানিকভাবে শাসকদলে নাম লেখালেন। শুধু প্রার্থী নন, উত্তরকুসুম গ্রাম পঞ্চায়েতের শতাধিক কর্মী-সমর্থকও এদিন কংগ্রেসের ‘হাত’ ছেড়েছেন। আব্দুল মাজিদ হালদার জানান, কংগ্রেস প্রার্থী হওয়াটাই তাঁর ভুল ছিল এবং বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমুখী (Developmental) কাজে শামিল হতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আজ মগরাহাট পশ্চিমের উস্থিতে নির্বাচনী জনসভা (Public Meeting) করার কথা রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর এই সফরের আগেই এই দলবদল রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ (Significant) বলে মনে করা হচ্ছে। তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, সাংসদ অভিষেকের ‘ডায়মন্ড মডেল’ (Diamond Model) এবং এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষেই মানুষ রায় দিচ্ছেন। এই যোগদানের ফলে মগরাহাটের নির্বাচনী সমীকরণ (Election Equation) অনেকটাই বদলে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, প্রার্থী হারানোর অর্থ হলো একটি নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ক এবং স্থানীয় প্রভাববলয় হাতছাড়া হওয়া।

আব্দুল মাজিদ হালদার মগরাহাট পশ্চিম ব্লক কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি হিসেবে পরিচিত মুখ ছিলেন। তাঁর এই পদক্ষেপে কংগ্রেসের অন্দরে চরম অস্বস্তি (Discomfort) তৈরি হয়েছে। যদিও জেলা কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে এই নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের কয়েক দিন আগে এই ধরনের পালাবদল কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি (Confusion) সৃষ্টি করতে পারে, যা তৃণমূলের পক্ষে মনস্তাত্ত্বিক জয় (Psychological Victory) হিসেবে কাজ করবে। মগরাহাট পশ্চিম এখন শুধু একটি কেন্দ্র নয়, বরং মাটির দখল নেওয়ার রাজনৈতিক ল্যাবরেটরিতে (Laboratory) পরিণত হয়েছে।

Advertisement
ads