ভাইরাল খবর
“বাংলার মুসলিমদের ইমান বিক্রি হতে দেব না”! হুমায়ুনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ ফিরহাদ হাকিমের
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) একটি ভাইরাল ভিডিও (Viral Video) ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে (সত্যতা যাচাই করেনি আর সি টিভি সংবাদ) । এই ভিডিওতে হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতা থেকে সরাতে তিনি বিজেপি (BJP) এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের (PMO) সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বীরভূমের তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) রীতিমতো অগ্নিশর্মা হয়ে হুমায়ুনকে ‘কুলাঙ্গার’ ও ‘কীট’ বলে সম্বোধন করেছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে (যার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম) হুমায়ুন কবীরকে জনৈক বিজেপি নেতার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে তাঁর নিয়মিত কথা হচ্ছে। হুমায়ুনের কথায়, “মুসলিম ভোট মমতার থেকে সরাতে পারলেই বিজেপি জিতবে। আমি ৭০-৮০টি মুসলিম অধ্যুষিত আসনে মুসলিমদের বোকা বানানোর পরিকল্পনা (Plan) করে ফেলেছি। এজন্য আমার মোট হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন।” এমনকি মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ফিরহাদ হাকিম কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে বলেন, “টাকার বিনিময়ে মুসলিমদের ধর্মীয় ভাবাবেগ (Religious Sentiment) নিয়ে যারা সওদা করে, তারা সমাজের শত্রু। বাংলার মুসলিমরা বোকা নয় যে তাদের ইমান টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া যাবে।” কুণাল ঘোষও প্রশ্ন তুলেছেন, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের কোন কোন আধিকারিক যুক্ত, তার তদন্ত (Investigation) হওয়া প্রয়োজন।
অভিযুক্ত হুমায়ুন কবীর অবশ্য সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ভিডিওটিকে ‘ভুয়ো’ (Fake) বলে দাবি করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ইজরায়েলি প্রযুক্তির (Israeli Technology) মাধ্যমে তাঁর ফোন ট্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করা হচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই ভিডিও তাঁর প্রমাণ করতে না পারলে তিনি ২ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলা (Defamation Suit) করবেন।


