বিশ্বের খবর
উত্তেজনার মাঝেই শান্তির চেষ্টা! পাকিস্তানে মুখোমুখি আমেরিকা-ইরান, নজর বিশ্বের
ডিজিটাল ডেস্কঃ আন্তর্জাতিক কূটনীতির (Diplomacy) আঙিনায় এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে চলেছে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ (Islamabad)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে আগামী শনিবার ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার শান্তি বৈঠকে (Peace Talks) বসতে চলেছে আমেরিকার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এই দলটির নেতৃত্বে থাকছেন খোদ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স (JD Vance)। তাঁর সঙ্গে থাকছেন ট্রাম্পের বরিষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন যে, গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার অভিযানের ফলে ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর (Proxy Groups) শক্তি অনেকটাই কমেছে। ফলে অস্ত্র সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তেহরান বর্তমানে আলোচনার টেবিলে কিছুটা নমনীয় অবস্থানে রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। যদিও এই শান্তি আলোচনার (Peace Process) মাঝেই লেবাননে হিজবুল্লার ওপর ইজরায়েলি হামলা এবং ইরানের হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বন্ধের ঘোষণায় পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠেছে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স হাঙ্গেরিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, লেবাননের পরিস্থিতির সঙ্গে এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর মতে, আমেরিকা কখনও লেবাননে যুদ্ধবিরতির (Ceasefire) প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, ইজরায়েলি ‘গণহত্যা’ (Genocide) এবং শান্তি আলোচনা একই সাথে চলতে পারে না। আপাতত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও তার স্থায়িত্ব এখন বড়সড় প্রশ্নের মুখে। শনিবারের ইসলামাবাদ বৈঠক ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বিশাল ‘অগ্নিপরীক্ষা’ (Test) হতে চলেছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।


