ইরানে হামলা চালাবে আমেরিকা? ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে পাল্টা জবাব খামেনেই প্রশাসনের
Connect with us

বিশ্বের খবর

ইরানে হামলা চালাবে আমেরিকা? ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে পাল্টা জবাব খামেনেই প্রশাসনের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরানে (Iran) চলমান সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভ (Iran Protest) ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা চরমে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে কি আমেরিকা (USA)? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) ধারাবাহিক হুঁশিয়ারির পরই এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে ওয়াশিংটনে (Washington)।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি, ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্পকে নতুন সামরিক বিকল্প (Military Options) সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়েছে। একাধিক মার্কিন আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে সীমিত হামলার (Limited Strike) কথা গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে হোয়াইট হাউস।

এদিকে আমেরিকার হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত ইরানও। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের কালিবাফ (Mohammad Bagher Ghalibaf) স্পষ্ট জানিয়েছেন, আমেরিকা হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি (US Military Bases) এবং ইজরায়েল (Israel) ইরানের বৈধ লক্ষ্যবস্তু হবে।

ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ মুদ্রাস্ফীতি (Inflation), আর্থিক সঙ্কট (Economic Crisis) ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদ থেকে জন্ম নিয়ে এখন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, এখনও পর্যন্ত অন্তত ৭০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত এবং ২,৩০০-রও বেশি মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন।

Advertisement
ads

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই (Ayatollah Ali Khamenei) কোনও আপসের ইঙ্গিত দেননি। বরং আরও কড়া দমননীতির (Crackdown) বার্তা দিয়েছেন। ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ মোভাহেদি আজাদ ঘোষণা করেছেন, বিক্ষোভকারীদের ‘ঈশ্বরের শত্রু’ হিসেবে দেখা হবে, যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।

এই উত্তেজনার প্রভাব ইরানের গণ্ডি ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে ইউরোপ (Europe) ও আমেরিকাতেও। লন্ডন, প্যারিস, বার্লিন ও ওয়াশিংটনে ইরানি প্রবাসীদের বিক্ষোভ হয়েছে। ট্রাম্প ফের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “ওরা বড় বিপদে আছে। আমরা আঘাত করব এমন জায়গায়, যেখানে সবচেয়ে বেশি ব্যথা পাবে।” তবে একই সঙ্গে সংঘাত এড়ানোর আশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

ইরান-আমেরিকা টানাপোড়েনের আবহে ইজরায়েলও সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। গত ছ’মাসে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে ১২ দিনের সংঘর্ষের স্মৃতি এখনও টাটকা। ফলে ইরানে কোনও সামরিক পদক্ষেপ হলে তার অভিঘাত যে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় পড়তে পারে, সে আশঙ্কাতেই নজর রাখছে গোটা বিশ্ব।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement