দেশের খবর
অর্থনীতি ও সামরিক শক্তিতে উন্নতি, এশিয়ার তৃতীয় শক্তিধর ভারত
ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারত (India) তার অর্থনীতি (Economy) ও সামরিক শক্তিকে (Military Power) ভিত্তি করে যে দ্রুত আত্মনির্ভরতার (Self-Reliance) পথে এগোচ্ছে, তারই প্রতিফলন মিলল ২০২৫ সালের এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে (Asia Power Index)। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক লোই ইনস্টিটিউট (Lowy Institute) প্রকাশিত রিপোর্টে ভারত উঠে এসেছে এশিয়ার তৃতীয় শক্তিশালী দেশের আসনে—জাপান ও রাশিয়ার মতো দেশকে পেছনে ফেলে। তালিকার শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা (USA) এবং দ্বিতীয় স্থানে চিন (China)।
লোই ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, আটটি প্রধান ক্ষেত্র—সামরিক ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক দক্ষতা, সম্পর্ক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব—এই ১৩১টি সূচকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এ বছরের সূচক। ২৭টি দেশের মধ্যে আমেরিকা পেয়েছে ৮১.৭, চিন ৭৩.৭ এবং ভারত ৪০ পয়েন্ট। ভারতকে এভাবে উপরে তুলে এনেছে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক উন্নতি এবং ক্রমোন্নত সামরিক সক্ষমতা।
কোভিড-১৯ (COVID-19) পরবর্তী সময়ে ভারতের অর্থনীতি শক্তিশালী গতিতে পুনরুদ্ধার করেছে। যদিও আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি (Trade Agreement) নিয়ে টানাপোড়েন চলছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন, তবুও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ভারতীয় পণ্য ব্যবহার’ আহ্বান দেশের অভ্যন্তরে আত্মনির্ভরতার ধারণাকে আরও দৃঢ় করেছে। বর্তমানে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি, এবং বিশেষজ্ঞদের মতে খুব শীঘ্রই আরও উপরে উঠতে পারে দেশের অবস্থান।
সামরিক শক্তির ক্ষেত্রেও ভারত দ্রুত আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সরঞ্জাম শুধু সেনাবাহিনীর প্রয়োজন মেটাচ্ছে না, বিশ্ববাজারেও রফতানি (Export) বৃদ্ধি পাচ্ছে। শত্রু দেশে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করার মতো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারত বারবার নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে—সম্প্রতি “অপারেশন সিঁদুরে” (Operation Sindoor) তারই উদাহরণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এশিয়ার শক্তির ভারসাম্যে ভারতের প্রভাব ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।


