ভারতের বিচারব্যবস্থার শীর্ষপদে বিচারপতি সূর্য কান্তের আনুষ্ঠানিক অভিষেক
Connect with us

দেশের খবর

ভারতের বিচারব্যবস্থার শীর্ষপদে বিচারপতি সূর্য কান্তের আনুষ্ঠানিক অভিষেক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ সোমবার অর্থাৎ আজ ২৪-১১-২০২৫ তারিখে ভারতের ৫৩তম প্রধান বিচারপতি (Chief Justice of India) হিসেবে শপথ নিলেন বিচারপতি সূর্য কান্ত (Surya Kant)। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সামনে হিন্দিতে (Hindi) শপথ পাঠের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক পদে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। প্রায় ১৫ মাস (15 months) এই পদে কাজ করবেন তিনি, যার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (9 February 2027) পর্যন্ত

রাষ্ট্রপতিভবনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপরাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্যেরা। শপথ অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় এবং বিদেশ থেকে আগত বিচারপতিদের একটি দল।

গত মাসেই নিয়ম অনুযায়ী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি গাভাই তাঁর নাম সুপারিশ করেন, এরপর রাষ্ট্রপতি তাঁকে দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। রবিবার গাভাই অবসর নেওয়ার পর সোমবার সূর্য কান্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শপথের পর তিনি মা-বাবা ও গুরুজনদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। তাঁর ব্যক্তিগত আমন্ত্রিতদের মধ্যে ছিলেন স্কুল-কলেজের বন্ধু, শিক্ষক ও গ্রামের প্রতিবেশী—যাঁদের মধ্যে ২৩৫ জন রাষ্ট্রপতিভবনে উপস্থিত ছিলেন, বাকিরা সুপ্রিম কোর্টের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটি দেখেন।

দুই দশকের বিচারিক জীবনে বিচারপতি সূর্য কান্ত বহু ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন। তাঁর বেঞ্চেই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা (Article 370) বাতিলের সিদ্ধান্ত সাংবিধানিক বৈধতা পায়। তাঁর এজলাসেই আইপিসি ১২৪এ (IPC 124A)-র রাষ্ট্রদ্রোহ আইন বাতিল হয়। পাশাপাশি, পেগাসাস (Pegasus) মামলাতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

Advertisement
ads

১৯৬২ সালে হরিয়ানায় জন্ম নেওয়া সূর্য কান্ত ১৯৮৪ সালে হিসারে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০০ সালে হরিয়ানার সর্বকনিষ্ঠ অ্যাডভোকেট জেনারেল (Advocate General) হন, ২০০৪ সালে পাঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত হিমাচল প্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং ২০১৯ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি সুপ্রিম কোর্টের **লিগাল সার্ভিসেস কমিটি (Legal Services Committee)**র চেয়ারম্যান ছিলেন।

Continue Reading
Advertisement