অমিতাভ চালিশা প্রকাশ! কলকাতায় বিগ বি-র জন্মদিনে ধুপধুনো দিয়ে পুজো
Connect with us

বিনোদন

অমিতাভ চালিশা প্রকাশ! কলকাতায় বিগ বি-র জন্মদিনে ধুপধুনো দিয়ে পুজো

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ‘হরি পুত্র অতুলিত বল ধামা, তেজি পুত্র অমিতাভ হ্যায় নামা।’
শনিবার (Saturday) ছিল বলিউড শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের ৮৩তম জন্মদিন (Birthday)। আর সেই বিশেষ দিনে কলকাতার অল বেঙ্গল অমিতাভ বচ্চন ফ্যান ক্লাব (Fan Club) প্রকাশ করল এক অভিনব ‘অমিতাভ চালিশা’। হনুমান চল্লিশা কিংবা লক্ষ্মী পাঁচালির আদলে এই মন্ত্রমালাটি ছাপানো বইয়ের (Book) আকারে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে পাতায় পাতায় রয়েছে বিগ বি-র বন্দনা।

জন্মদিন উপলক্ষে শহরের বন্ডেল রোডের ফ্যান ক্লাবে আয়োজন করা হয় এক বিশেষ পুজোর (Puja)। পুজোর থালায় ছিল চন্দন বাটা (Sandal paste), কুচো ফুল (Small flowers), পঞ্চ প্রদীপ (Five lamps), ধুপ (Incense), চাল (Rice), ও হোমের টিকা (Sacred offerings)। এরপর মন্দিরে বিগ বি-র মূর্তির (Statue) সামনে রেখে দেওয়া হয় ভোগ প্রসাদ (Offering)।

সঞ্জয় পাতোদিয়া, অল বেঙ্গল অমিতাভ বচ্চন ফ্যান ক্লাবের সম্পাদক (Secretary) বলেন, “সব তীর্থ বারবার, বচ্চন ধাম একবার।” তিনি নিজে বহুবার গিয়েছেন মুম্বাইয়ের জলসায় (Jalsa), অমিতাভ বচ্চনের বাসভবনে। দেখা করেছেন ছ’ফুট দু ইঞ্চির ‘ঈশ্বরে’র (God-like idol) সঙ্গে।

পুজোর সময় এক বৃদ্ধা কপালে হাত ঠেকিয়ে নমস্কার (Salute) করেন বিগ বি-র মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে, বলেন “ভগবান তুমি দেখো।” তাঁর প্রশ্ন, কোন ম্যাজিকে রক্তমাংসের মানুষ হয়ে উঠলেন ঈশ্বরতুল্য?

Advertisement
ads

বচ্চনের ইচ্ছেতেই এবার তাঁর জন্মদিনে ক্লাবের পক্ষ থেকে সমাজসেবামূলক কাজ করা হয়েছে। ৮৩ জন গরিব শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয় পড়াশোনার সরঞ্জাম (Study kits)। এরপর ক্লাব সদস্যরা যান কালীঘাট মন্দিরে (Kalighat Temple), সেখানে অমিতাভের দীর্ঘায়ু কামনায় দেওয়া হয় মহাপুজো।

বচ্চনের নামের শুরুতে থাকা ‘বি’ দিয়ে আরও অনেকেই পরিচিত – ববি দেওল, ববিতা, বাসু চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু তিনিই একমাত্র ‘বিগ বি’। নামের শেষের তিন অক্ষর ‘চন’ উচ্চারণ করলেই বিশ্বজোড়া সিনেমাপ্রেমীরা তাঁকে চিনে নেন।

বন্ডেল রোডে এই দিন কাটা হয় কিং সাইজ কেক (Cake), উপস্থিত ছিলেন নানা বয়সের অনুরাগী – দশ বছরের শিশু থেকে নব্বই ছুঁইছুঁই বৃদ্ধও।
সঞ্জয় বলেন, “এটাই ম্যাজিক। ১৯৭৫-এ আমার বাবা ‘শোলে’ দেখেছিলেন। আমরা ২০০১-এ দেখেছি ‘কভি খুশি কভি গম’। আর ২০২৪-এ স্কুলের বাচ্চারা দেখেছে ‘কাল্কি’। সময় বদলালেও ভক্তি একই থেকে গেছে।”

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement