মালদা
শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি, অভিযুক্ত মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ
ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের প্রকাশ্যে শাসকদলের (Ruling Party) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (Factional Conflict) রূপ। মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে (Harishchandrapur) দলীয় সংগঠনের রদবদল (Organizational Reshuffle) ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। নতুন নেতৃত্ব পছন্দ না হওয়ায় এক পক্ষের বিরুদ্ধে অপর পক্ষের তৃণমূল (TMC) নেতার বাড়িতে হামলার (Attack) অভিযোগ উঠেছে।
জানা গিয়েছে, দুই দিন আগে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ (এ) ব্লকে তৃণমূলের সাংগঠনিক রদবদল হয়েছে। ব্লক তৃণমূল সভাপতি পদ হারিয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য বুলবুল খান ঘনিষ্ঠ জিয়াউর রহমান। সেই পদে নিয়োগ পেয়েছেন রাজ্য মন্ত্রী তাজমুল হোসেন ঘনিষ্ঠ মোশারফ হোসেন। যুব তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব পান বিজয় দাস, যাকে কখনো দলের পতাকা হাতে দেখা যায়নি বলে অভিযোগ। এই পরিবর্তনে দলের অভ্যন্তরেই ক্ষোভ তৈরি হয়।
এরপর মঙ্গলবার রাতে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা মন্দিরা দাসের বাড়িতে হামলা হয়। তার স্বামী পুজন দাসের নাম ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি হিসেবে শোনা যাচ্ছিল। অভিযোগ, তার বাড়ির দরজা ভাঙার চেষ্টা করা হয়, বাইরের গাড়ি ভাঙচুর (Vandalism) করা হয় এবং খুনের (Murder Threat) হুমকিও দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতেই জাতীয় সড়ক (National Highway) ৮১ অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে ধর্ণা-বিক্ষোভ দেখান আক্রান্ত নেতারা। বিক্ষোভে অংশ নেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা স্বপন আলী।
একই রাতে, ব্লক তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সাহেব দাসের রেস্তোরাঁতেও হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এই হামলায় যুক্ত ছিলেন অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সঞ্জীব গুপ্তা, নবনিযুক্ত যুব তৃণমূল সভাপতি বিজয় দাস এবং তার ভাই দুর্জয় দাস।
এই হামলার নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযুক্ত তাজমুল হোসেনের ভাই জম্মু রহমান। আক্রান্ত নেতারা হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দ্রুত হামলাকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনার প্রসঙ্গে মন্ত্রী তাজমুল হোসেন জানান, তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।


