ভাইরাল খবর
কেন্দ্রের নতুন আইনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি আক্রমণ
ডিজিটাল ডেস্কঃ কেন্দ্রীয় সরকার আজ বুধবার লোকসভায় আনছে নতুন বিল, যা অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে গ্রেফতার হলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পদচ্যুত হবেন। ১৩০ তম সংবিধান সংশোধনী বিলের মাধ্যমে এই আইন কার্যকর হবে। যদি কোনও নির্বাচিত কর্মকর্তা গুরুতর অপরাধে গ্রেফতার হন এবং টানা ৩০ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকেন, প্রধানমন্ত্রী বা রাজ্যের ক্ষেত্রে রাজ্যপাল পদক্ষেপ করবেন। পাঁচ বছরের বেশি সাজা হলে মন্ত্রিত্ব থেকে সরানো যাবে।
বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস এই বিলকে কেন্দ্রের দ্বারা রাজ্য সরকারগুলির উপর প্রভাব বিস্তার ও নির্বাচিত সরকারের স্থিতিশীলতা ভাঙার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন, “বিরোধী দল এবং সমগ্র জাতির সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, কেন্দ্রীয় সরকারের এখনও পিওকে পুনরুদ্ধার করার সাহস নেই। তারা কেবল ফাঁকা বক্তৃতা দেয়। ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত রক্ষা ও শত্রুদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপে তারা ব্যর্থ।” তিনি আরও যোগ করেন, “এই সরকার নিজেকে জনবিরোধী, কৃষকবিরোধী, গরিববিরোধী, তফসিলি জাতিবিরোধী, উপজাতিবিরোধী, ওবিসি-বিরোধী, ফেডারেলবিরোধী এবং ভারতবিরোধী হিসেবে প্রমাণ করেছে।”
তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty) বলেন, “একদিকে ভোট চুরি করে জেতার চেষ্টা, অন্যদিকে নির্বাচিত সরকারকে অচল করার পরিকল্পনা কেন্দ্রের।” অন্যদিকে, বিজেপি মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (Jagannath Chattopadhyay) বলেন, “চুরির ভোটে জিতে এসে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়। দেশের কাশ্মীর সংক্রান্ত বিষয় সমাধান করা গুরুত্বপূর্ণ, পাশাপাশি রাজ্যের শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন।”
এই নতুন বিল এবং বিরোধীদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আইন প্রয়োগের পর রাজনৈতিক দৃশ্যপটেও বড় ধরনের প্রভাব পড়বে এবং রাজ্য-কল্যাণ ও কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ককে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবে।


