দিল্লি যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ বলেন, “২০২১ সাল থেকেই গুরুত্ব কমতে শুরু করে। যখন বুঝেছি দল আমায় গুরুত্ব দিচ্ছে না, নিজে সরে গেছি। তবে আমার সময়ে কেউ বলতে পারবে না, তাঁকে উপেক্ষা করা হয়েছে। এখন দলের পরিবেশ ইতিবাচক হবে বলে মনে হচ্ছে।”
আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক সেতু দুর্ঘটনা! গম্ভীরা ব্রিজ ভেঙে পড়ল, ৭ মৃত, ট্যাঙ্কার ঝুলছে নদীর ওপর
বিজেপির ‘আদি বনাম নব্য’ লড়াই আবারও সামনে আনলেন তিনি। তাঁর সাফ মন্তব্য, “পুরনোদের রক্ত, ঘাম, ত্যাগে দল দাঁড়িয়েছে। তাঁদের অবদান ভুললে চলবে না। দল ক্ষমতার কাছে গেলে অনেকেই আসে, কিন্তু সবার অভিপ্রায় এক নয়। পরিবেশ ভালো করার দায়িত্ব আমাদের সকলের।”
এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনীতিতে শুরু হয়ে গিয়েছে চাপানউতোর। তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার (Joyprakash Majumdar) বলেন, “দিলীপবাবুকে একুশের পর থেকে পরিকল্পনা করে কোণঠাসা করা হয়। তাঁকে দলের কোনও বৈঠকে ডাকা হতো না। আর এখন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে বিজেপি।”
রাজ্য রাজনীতিতে বারবার উঠেছে বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রশ্ন। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-র উত্থান, অন্যদিকে দিলীপ ঘোষের ম্রিয়মাণ অবস্থান—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে দল যে এখনও সম্পূর্ণ একমুখী নয়, তা স্পষ্ট দিলীপ ঘোষের এই ‘অঘোষিত বিদ্রোহে’।
নেতা বদল, মুখ বদল হলেও বিজেপির গৃহদাহ যে এখনও তীব্র, তা ফের স্পষ্ট হয়ে উঠল দিলীপ ঘোষের এই খোলা মঞ্চের ক্ষোভে।